রবিবার, ২০ Jun ২০২১, ১২:১৮ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
পিঁপড়ার ডিমেই চলে জীবন

পিঁপড়ার ডিমেই চলে জীবন

বিজ্ঞাপন

জয় ডেস্ক : জীবিকার জন্য মানুষ নানাভাবে লড়াই করেন। একেকজন একেক রকম পেশা বেছে নেন। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার আবার কেউ বা অন্য কোনো পেশা। কিন্তু জয়পুরহাটের বেলাল হোসেন জীবিকা নির্বাহের জন্য বেছে নিয়েছেন লাল পিঁপড়ার ডিম বিক্রি। আর এ ডিম সংগ্রহ ও বিক্রির জন্য তিনি দূর-দূরান্তে ছুটে বেড়ান।

জেলার বিরামপুর উপজেলা চত্বরে দেখা যায়, বেলাল একটি লম্বা বাঁশের মাথায় ছাতা বেঁধে ও থলে হাতে নিয়ে গাছে গাছে লাল পিঁপড়ার বাসা খুঁজছেন। তবে বাসা হতে হবে ডোল পিঁপড়ার। যেখানে মিলবে প্রচুর সাদা রঙের ডিম। কেননা এ ডিমই তার জীবিকা নির্বাহের হাতিয়ার।

বেলাল বলেন, মেহগনি, আম, লিচুসহ দেশীয় গাছগুলোতেই ডোল পিঁপড়ার বাসা পাওয়া যায়। লালা ব্যবহার করে গাছের ডালের আগায় কয়েকটা পাতা জোড়া দিয়ে শক্ত বাসা তৈরি করে এসব পিঁপড়ার দল। সেখানে তারা ডিম পাড়ে। বড় বাসায় এক-দেড়শ গ্রাম ডিম পাওয়া যায়। তবে আশ্বিন-কার্তিক মাসে এ ডিমের চাহিদা বেশি থাকে। সব থেকে বেশি ডিম পাওয়া যায় ফাল্গুন মাসে। কিন্তু সে সময় ডিমের চাহিদা তেমন একটা থাকে না। এ ডিম সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজটি খুব সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। কেননা ডিম যদি আস্ত না থাকে তবে মাছ তা খায় না।

তিনি আরো বলেন, লাল পিঁপড়ার ডিম প্রতি কেজি ৭শ’ থেকে ১২শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। সৌখিন মাছ শিকারিদের কাছে এ ডিম বিক্রি করা হয়। পিঁপড়ার ডিম মাছের খুব প্রিয় খাবার। বড়শিতে আটা-ময়দা বা পাউরুটি একানির মতো আধারের সঙ্গে পিঁপড়ার ডিম দেয়া হলে বড় মাছ সহজেই টোপ গেলে। এজন্য যারা সৌখিনতার বশে বা টিকেট কিনে মাছ শিকার করেন তাদের কাছে জনপ্রিয় টোপ পিঁপড়ার ডিম। পানির নির্দিষ্ট স্থানে আধার ফেলে মাছ ডাকতে এ ডিমের চাহিদা জেলেদের কাছেও কম নয়। অনেক সময় জেলেরাও এ ডিম কেনেন।

বেলাল আরো বলেন, আমি গরিব মানুষ। তাই ১২ বছর ধরে এ কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করছি। এ কাজে কোনো পুঁজি লাগে না, তাই এ কাজকেই জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছি। সারাদিনে এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত ডিম সংগ্রহ করতে পারি। আর তাতেই সুন্দরভাবে সংসার চলে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
সুত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »