বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:০২ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
হামলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে যশোর ঝিকরগাছায়  এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা / মামলায় ৪৫০জন গ্রেপ্তার প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের সর্বনিম্ন ৩ এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড কুমিল্লার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে  নির্দেশ সারাদেশে  ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে ৭ জনের মৃত্যু যশোর শিক্ষা বোর্ডের দুর্নীতি সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি যশোরে সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস রুখে দেওয়ার ঘোষণা যুবলীগের যবিপ্রবিতে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় রোবোটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার শীর্ষক সেমিনার যশোর শহর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মেহেবুব রহমান ম্যানসেলের আয়োজনে  কেক কেটে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালন আজ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন
সকল টিআইএনধারীকে রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে

সকল টিআইএনধারীকে রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে

বিজ্ঞাপন

টিআইএনধারী (কর শনাক্তকরণ নম্বর) সবাইকে ফোন করে রিটার্ন দাখিলের জন্য বাধ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

৮ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ ২০১৯’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমানে ৪৬ লাখ টিআইএনধারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করেছেন ২২ লাখ। যারা এখনও রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের করাঞ্চলের কর্মকর্তারা ফোন করবেন। আগামী জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দাখিল না করা প্রত্যেক টিআইএনধারীকে ফোন দেবেন। ত‌াদের রিটার্ন দাখিল করতে বলবেন। আর যারা আয়কর দেয়ার যোগ্য তাদের করসহ রিটার্ন দাখিলে বাধ্য কর‌া হবে।’

‘ভ্যাট দিচ্ছে জনগণ, দেশের হচ্ছে উন্নয়ন’- এ স্লোগানে এবারও এনবিআর ১০ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস’ ও ১০-১৫ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ ২০১৯’ উদযাপন করবে।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২২ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে নতুন বেড়েছে দুই লাখ। নতুন-পুরাতন আরও ৫০ হাজার কোম্পানি রিটার্ন দাখিল করবে। সবমিলিয়ে চলতি বছরে নতুন আড়াই লাখ রিটার্ন দাখিলকারী যুক্ত হবে।’

তিনি বলেন, ‘১ জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হয়েছে। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, দোকান মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে বিভিন্ন স্তরে যেমন, ৫ শতাংশ, সাড়ে ৭ শতাংশ, ১০ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এত কিছু করার পরও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব না আসা দুঃখজনক। তাই এখন থেকে যেসব টিআইএনধারী রিটার্ন দাখিল করেন না, তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এতদিন ব্যবসায়ীদের প্রতি এনবিআর নমনীয় ছিল। এখন থেকে ভ্যাট আদায়ে রাজস্ব কর্মকর্তাদের কঠোর হবার নির্দেশ দেয়া হবে। তবে কঠোর হওয়ার ক্ষেত্রে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই লাখ ২০ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা রাজস্ব আহরিত হয়েছে। তার মধ্যে ভ্যাট থেকে রাজস্ব এসেছে ৭৮ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা, যা মোটা আহরিত রাজস্বের ৩৯ শতাংশ বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা তিন লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভ্যাট আহরণের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ১৭ হাজার ৬৭২ কোটি টাকা, যা মোট রাজস্বের ৩৬ ভাগ। বছর শেষে এনবিআর এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন মোশাররফ হোসেন।

ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) সম্পর্কে তিনি জানান, এই অর্থবছরের মধ্যে ৫০ শতাংশ ইএফডি মেশিন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। কারণ, এই মেশিন আমদানি করতে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা সময় লাগলেও ঘোষিত সকল পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

রাজস্ব আহরণের তথ্য তুলে ধরে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ হাজার কোটি টাকা কম। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে চার শতাংশ বেশি। এর মধ্যে কাস্টমসে রাজস্ব আদায় প্রবৃদ্ধি চার শতাংশ। ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং ইনকাম ট্যাক্স আহরণের প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

এক প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রতিবছরই আমরা ব্যবসায়ীদের প্রচুর পরিমাণে সহযোগিতা দিয়ে আসছি। বিশ্বের কোনো দেশে কাস্টমস থেকে আহরিত শুল্কের পরিমাণ এত বেশি নয়। বাংলাদেশে মোট রাজস্বের ২৮ শতাংশ আসে কাস্টমস থেকে। যাতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হতে পারে। কিন্তু এর পরেও যখন আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়, তখন আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »