বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৪:২০ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
মাছের বদলে প্লাস্টিক তুলছেন জেলেরা

মাছের বদলে প্লাস্টিক তুলছেন জেলেরা

মাছের বদলে প্লাস্টিক তুলছেন জেলেরা

বিজ্ঞাপন

জয় ডেক্স : ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে গ্রিসের রয়েছে সবচেয়ে বড় মাছ ধরার বহর। সেখানকার জেলেরা ‘ফিসিং ফর লেটার’ নামের এক প্রকল্পের আওতায় এজিয়ান সমুদ্র জঞ্জালমুক্ত করছেন।

‘ফিশিং ফর লেটার’ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা সমুদ্র থেকে তোলা প্লাস্টিক এবং অন্যান্য বর্জ্যের হিসেব রাখেন। বর্তমানে গ্রিসের উত্তরাঞ্চলে এই প্রকল্প চলছে।

সমুদ্রে জমা হওয়া জঞ্জাল সাফ করতে ‘ফিশিং ফর লেটার’ প্রকল্পের আওতায় গ্রিসের জেলেদের ব্যবহার করা হচ্ছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর অবধি এই প্রকল্প পরিচালনা করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর থেকে এখন অবধি এই জেলার এজিয়ান সমুদ্রের তাদের অংশ থেকে দেড় টন আবর্জনা সাফ করেছে। প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র থেকে সংগ্রহ করতে কাভালা এবং থেসালোনিকি বন্দরের আটটি ট্রলার ব্যবহার করা হচ্ছে।

‘ফিশিং ফর লেটার’ প্রকল্পের আওতায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রচলিত চর্চায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সমুদ্রের তলদেশে জমে থাকা প্লাস্টিক পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই বিষয়ে মৎস শিল্প সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিও প্রকল্পটির লক্ষ্য।

সমুদ্রতলের একটি বড় অংশ এখন প্লাস্টিক এবং অন্যান্য বর্জ্যে ঢেকে আছে। কখনো কখনো ভাঙা চেয়ারের মতো বড় প্লাস্টিক বর্জ্যেরও সন্ধান মেলে সেখানে। এরকম বর্জ্য সামুদ্রিক জীবদের উপর কেমন প্রভাব ফেলছে তা বুঝতে গবেষণা করছেন গবেষকরা।

‘ফিশিং ফর লেটার’-এর প্রধান সমুদ্র বিজ্ঞানী ক্রিস্টিনা কনটাক্সি জেলেদের জালে ধরা পড়া একটি প্লাস্টিক ব্যাগ দেখছেন। এমন ব্যাগ, বোতল আর ক্যানই সমুদ্রে বেশি পাওয়া যায়। যেসব অঞ্চলে পর্যটক বেশি, সেসব অঞ্চলে এমন আবর্জনাও বেশি থাকে।

মাছ থেকে প্লাস্টিক আলাদা করার পর সেগুলো প্রকল্পের দেয়া বড় ব্যাগে ভরা হয়। এরপর মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে এনে সেগুলো পরিবেশবান্ধব উপায়ে নষ্ট করা হয়।

গ্রিসে মৎসজীবীর সংখ্যা দশ হাজারের মতো। তারা বছরে গড়ে সত্তর হাজার টনের মতো মাছ ধরেন।

‘ফিশিং ফর লেটার’ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা সমুদ্র থেকে তোলা প্লাস্টিক এবং অন্যান্য বর্জ্যের হিসেব রাখেন। বর্তমানে গ্রিসের উত্তরাঞ্চলে এই প্রকল্প চলছে।

 

 

 

 

 

 

 

সুত্র: সকালের সময়

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »