শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৭:১৭ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন………সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তৈরি করুন চিংড়ির মুইঠ্যা ট্রাম্পের বাড়ি থেকে ‘টপ সিক্রেট’ নথি জব্দ করেছে এফবিআই তারুণ্য হোক উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ঝুঁকিমুক্ত আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ওয়েবিনারে বক্তারা গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় সারাদেশে কোথাও কেউ মারা যায়নি মিনির বাড়ি প্রেমের ঠিকানা বাচ্চু আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের সহ সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় অভিনন্দন বিশ্বজুড়ে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কারিগরি সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে…… স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ……প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ……প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ফাইল ফটো

জয় বাংলা নিউজ ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে।
তিনি আগামীকাল ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। সংশি¬ষ্ট সবাইকে অভিনন্দন এবং যাঁরা এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন তাদেরও আন্তরিক অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সফল হয়েছি। এ সেতুর মাধ্যমে নদী বিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং সারাদেশে দ্রুত বাজারজাতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের জীবনমান আরো উন্নতি হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। ধান, পাট, আম, পেয়ারা, আলু প্রভৃতি ফসল ও ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে। এ সকল কার্যক্রমে যারা অবদান রাখছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গকে আজ ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে কৃষিপেশার মর্যাদা সমুন্নত হবে এবং কৃষির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য বর্তমান প্রয়াসকে আরো গতিশীল করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার উন্নত, সুখী, সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম অনুধাবন করেছিলেন জ্ঞাননির্ভর আধুনিক কৃষিই উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রথম সোপান। তাই তিনি স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালের ভাষণে জাতির পিতা বলেছিলেন, “নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা। বাংলার মানুষ হাসবে। বাংলার মানুষ খেলবে। বাংলার মানুষ মুক্ত হাওয়ায় বাস করবে। বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। এই আমার জীবনের সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য।’
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফসহ উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি বিপ্ল¬বের সূচনা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে কৃষির উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাতে কৃষি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ প্রবর্তনের পাশাপাশি কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেন বঙ্গবন্ধু।
জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ ও সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আধুনিক কৃষি শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করেছি। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। একই সাথে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষি বাতায়ন, কৃষক বন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সাথে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। ফলে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভাসমান চাষ, বৈচিত্র্যময় ফসল উৎপাদন, ট্রান্সজেনিক জাত উদ্ভাবন, পাটের জেনোম সিকুয়েন্স উন্মোচন ও মেধাসত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাঁদের নগদ সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। এসব কর্মসূচির ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।
প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি)’ হিসেবে স্বীকৃত সকল ব্যক্তিকে আবারও অভিনন্দন জানান এবং সে সাথে অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। : বাসস

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »