শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
নওগাঁ আত্রাইয়ে ১০টাকা কেজি চালে স্বস্তি ফিরেছে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে

নওগাঁ আত্রাইয়ে ১০টাকা কেজি চালে স্বস্তি ফিরেছে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে

বিজ্ঞাপন

ওমর ফারুক,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-নওগাঁর আত্রাইয়ে ১০টাকা কেজির চালে স্বস্তি ফিরেছে খেটে খাওয়া মানুষেদের মাঝে। “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্রদের মাঝে সোমবার থেকে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু করা হয়েছে। অতি দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী ব্যক্তিদের মাঝে ১০টাকা কেজি দরে ৩০কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে এ কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০টাকা করে ৩০কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। প্রতিজন ডিলার ১মেট্টিকটন চাল বিক্রি করতে পারবেন। শুক্রবার ছুটির দিন ব্যতিত সপ্তাহের প্রতিদিনই এ কর্মসূচী চলবে। এদিকে অতিদরিদ্র মানুষদের ডিলারের দোকানগুলোতে চাল কিনতে উপড়ে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বছরের মার্চ-এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবর-নভেম্বর এই দুই সময়ে এই চাল বিক্রি করা হয়। কারণ এই দুই সময়ে দুটি বড় ধানের চাষাবাদের পূর্ব মুহুর্ত। এই সব চাল বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছে এই চাল কেনার জন্য।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কার্ডধারী অতিদরিদ্র মানুষদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, বছরের ইরি-বোরো ও রোপা-আমন ধান চাষের সময় বাজারে চালের দাম অনেক বেশি থাকে। তাই আমাদের মতো দিনমজুর ও খেটে খাওয়া গরীব মানুষদের পক্ষে বেশি দামে বাজার থেকে চাল কিনে খাওয়া খুবই কষ্ট্যসাধ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু শেখ হাসিনার দেওয়া ১০টাকা কেজি দামে চাল পেয়ে আমরা খুবই খুশি ও আনন্দিত কারণ পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে দুবেলা দুমুঠো ভাত খেতে পারছি। তাছাড়া দিনে যা আয় হতো তার সব কিছু দিয়ে চাল কিনতে হতো অন্যান্য বাজার করাই যেতো না। এই চাল বিক্রি করায় আমরা খুবই উপকৃত হচ্ছি।

আমরা ডিলারের মাধ্যমে সরকারের এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। এই চাল বিক্রয় করার কারণে চালের বাজার কিছুটা হলেও কমতে শুরু করেছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং হলে আগামীতে আরো কমার সম্ভবনা রয়েছে। এই কর্মসূচিটি প্রধান দুই ধানের মৌসুম শুরুর দিকে চালু করা হয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. নুরুউদ্দিন বলেন, সরকারের বিভিন্ন ভিশন বাস্বায়ন করাই আমাদের মূল কাজ। খোলা বাজারে ১০টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি প্রধান মন্ত্রীর একটি বড় পদক্ষেপ। ইতিমধ্যেই আমরা সকল নিয়ম-কানুন মেনে এই চাল বিক্রি করার সকল প্রস্তুতি শেষ করে চাল বিক্রয় শুরু করা হয়েছে। এই চাল বিক্রিতে কোন প্রকারের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এই চাল বিক্রয় সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে আমি সর্বক্ষণিক বিভিন্ন ডিলারদের দোকান পরিদর্শন করছি এছাড়াও আমার অন্যান্য কর্মকর্তারা তো সব সময় মাঠে রয়েছেন। আশা রাখি শেষ পর্যন্ত ভালো ভাবেই এই চাল বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »