মঙ্গলবার, ২৮ Jun ২০২২, ০১:০৫ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
স্মার্ট এগ্রিকালচার টেকনোলজি ব্যবহার করার তাগিদ কৃষিমন্ত্রীর

স্মার্ট এগ্রিকালচার টেকনোলজি ব্যবহার করার তাগিদ কৃষিমন্ত্রীর

জয় বাংলা নিউজ প্রতিবেদক:

কৃষিমন্ত্রী ড . মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন দেশে চলমান বন্যায় বড় ধরনের ক্ষতি হবে না। ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। এখন মাঠে বড় ধরনের কোনো ফসল নেই। এ বন্যায় যতটুকু ক্ষতি হবে, সেটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।

রোববার ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের আয়োজনে ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি ও গণমাধ্যম’ বিষয়ে সেমিনারটি আয়োজিত হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় আমন ধানের ক্ষতি হবে না। সারাদেশে খুব বেশি বীজতলা করা হয়নি এখনও। যা হয়েছে সেটাও নষ্ট হলে খুব সমস্যা হবে না। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বীজ সংরক্ষিত আছে। পরবর্তীতে সেগুলো চাষিদের দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আউশের ক্ষতি একটু বেশি হতে পারে। এখন ১৩ লাখ হেক্টর আউশের টার্গেট করেছিলাম, লাগানো হয়েছে ১১ লাখ হেক্টর। এর মধ্যে ২২ হাজার হেক্টর এখন পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ৩ লাখ ৮৭ হাজার হেক্টরে বিভিন্ন শাকসবজি আছে, সেগুলোর অবশ্য কিছু ক্ষতি হবে।

আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, বাংলাদেশ দুর্যোগ-প্রবণ দেশ। এই মৌসুমির ফসলগুলো প্রায় সময় ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কৃষকও সেভাবে প্রস্তুতি রাখে। আমরাও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সে ক্ষতি পূরণ করব। তারপরও যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, বন্যা ধেয়ে আসছে, আকস্মিক বড় ক্ষতি হবে কিনা সেটা জানি না। এজন্য আমরা পর্যাপ্ত বরাদ্দ রেখেছি। যদি বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেটা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নানাবিধ সমস্যার কারণে এ দেশে বহুবার খাদ্য সংকটের নজির রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের ক্ষমতাকালীন কখনও খাদ্যের অভাব হয়নি। এমনকি খাদ্যের জন্য হাহাকার ও করতে দেখা যায়নি কখনও। বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে সেটা এ দেশেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যামেরিটাস অধ্যাপক ও বাকৃবির সাবেক উপাচার্য এম. এ. সাত্তার মণ্ডল। তিনি বলেন, গ্রামে এখন একটা নতুন অভিজাত ক্লাস গড়ে উঠছে। যাদের নিজের জমি আছে কি নাই সেটা মুখ্য নয়। কিন্তু তাদের আছে মেধা, দক্ষ কৃষি উদ্যোগ, পুঁজি ও বিদ্যা-বুদ্ধি। তারা তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ এবং আধুনিক কৃষির প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত।

এ শ্রেণিটির প্রধান শক্তি হচ্ছে, আধুনিক কৃষি এবং ব্যবসায়িক কৃষি সম্পর্কে জ্ঞান। এদের প্রত্যেকেই লাভজনক কৃষি পণ্যের বাজারের দিকে একটা ঝোঁক সৃষ্টি হয়ে গেছে। তারা লাভের জন্য কৃষি করছেন, কৃষি ব্যবসা করছেন। দেশ বিদেশে কৃষি যেখান থেকে সম্ভব নতুন নতুন কৃষির ধারণা লাভ করছেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে এগিয়ে যাচ্ছেন।

তাদের দরকার প্রয়োজনমত ঋণ, কারিগরি সহায়তা ও আধুনিক কৃষি বিপণন-ব্যবস্থা। তবে কৃষি আরও এগিয়ে নিতে আমদানি কমাতে হবে। লবণ সহিঞ্চু জাত উদ্ভাবনে মনোযোগ আরও বাড়াতে হবে। স্মার্ট এগ্রিকালচার টেকনোলজি ব্যবহার করার তাগিদও দেন তিনি৷
এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, ঢাকা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, দৈনিক জনকণ্ঠের চিফ রিপোর্টার কাওসার রহমান, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম ইফতেখার মাহমুদ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক ড. সুরজিত সাহা রায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »