শনিবার, ২৫ Jun ২০২২, ০১:০৮ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
এইতো জীবন বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম এম এ হান্নানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বানভাসী মানুষের পাশে এম পি অসীম কুমার উকিল শালিখা থেকে অস্ত্রসহ মেম্বার আটক যশোর র‌্যাবের হাতে ঝিকরগাছা কায়েমকোলা বাজারের দুইটি দোকান থেকে প্রায় ৯ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় তিনজন আটক উন্নয়নের ব্যাপারে শেখ হাসিনা কারো সাথে আপোষ করেন না…যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ পদ্মা সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূতিকাগার….. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুতে ৬০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চালানো যাবে না গাড়ি মিচেলের ইতিহাস করলেন টানা তৃতীয় সেঞ্চুরি বন্যাকবলিত এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সংযোগ স্থাপন
যশোর শার্শার রহিমা হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

যশোর শার্শার রহিমা হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

জয় বাংলা নিউজ প্রতিবেদক:
যশোর শার্শা উপজেলার গৃহবধূ রহিমা খাতুন হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় খলিলুর পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন আদালত। মঙ্গলবার যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সামছুল হক এ আদেশ দেন। এসময় স্পেশাল পিপি সাজ্জাম মোস্তফা রাজা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম। ঘাতক স্বামী খলিলুর রহমান বেনাপোল পুটখালী গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে। নিহত রহিমা খাতুন শার্শা উপজেলার ইছাপুর গ্রামের সাখায়াত উল্লাহর মেয়ে।
আদালত সূত্র জানায়, রেহেনার সাথে খলিলুরের বিয়ে হয় ১৯৯৯ সালে। বিয়ের পর তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। ২০০৯ সালের শুরুতে খলিলুর জোর পূর্বক রেহেনার আপন ছোট বোন মিনা খাতুনকে বিয়ে করে বাড়িতে আনেন। যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি শুরু। এরপর রেহেনার পরিবার মিনা খাতুনকে খলিলুরের কাছ থেকে নিয়ে আরেক স্থানে বিয়ে দেন। এতে করে আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন খলিলুর। এরপর থেকেই রেহেনার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান রেহেনা। এরপর খলিলুর প্রায় রেহেনাদের বাড়ির আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। মাঝে মধ্যে রেহেনার সাথে কথা বার্তাও বলেন কিন্তু, রেহেনাদের বাড়িতে যান না তিনি। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ১৪ জুন দুপুর ১২ টায় খলিলুর ও তার কয়েক বন্ধু রেহেনাদের বাড়িতে যান। এরপর বাগআঁচড়া সিনেমা হলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রেহেনাকে নিয়ে যান। এরপর রেহেনার আর বাড়ি ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি তার পরিবার। পরের দিন সকাল সাতটায় ইছাপুরের একটি মাঠ থেকে রেহেনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় রেহেনার শরীরে হত্যার একাধিক চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রেহেনার মা আবেদা খাতুন শার্শা থানায় খলিলুরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই গোলাম মোস্তাফা। তদন্তে উঠে আসে রেহেনাকে মাারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন খলিলুর। তিনি খলিলুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »