সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
ডাটা সংগ্রহ, মজুদ ও বিক্রি / প্রযুক্তি জায়ান্টদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ চায় বিআইএস

ডাটা সংগ্রহ, মজুদ ও বিক্রি / প্রযুক্তি জায়ান্টদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ চায় বিআইএস

জয় বাংলা নিউজ ডেস্ক:
সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি জায়ান্ট ও ব্যাংকগুলোর ডাটা সংগ্রহ, মজুদ, প্রক্রিয়াজাত ও তা বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ আবশ্যক। ডাটা ইস্যুতে প্রযুক্তি জায়ান্টের বিপরীতে ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানের অধিকতর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা আবশ্যক বলে জানায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর আমব্রেলা সংগঠন দ্য ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটলমেন্টস (বিআইএস)। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ব্যবহারকারীর ডাটা প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর খেলার পুতুলে পরিণত হওয়া নিয়ে আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়। খবর রয়টার্স।

গত কয়েক দশকে ইন্টারনেট বিপ্লবের হাত ধরে মানুষের কাছে পৌঁছেছে অত্যাধুনিক স্মার্টফোন, অ্যাপ ও অন্যান্য উচ্চ প্রযুক্তির গ্যাজেট। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি জায়ান্টের হাতে। তারা ব্যবহারকারীর ডাটা সংগ্রহ করে, প্রক্রিয়াজাত করে এবং থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিআইএস জানায়, ডাটা ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন দেশে আইন থাকলেও বেশির ভাগ ব্যবহারকারী এ নিয়ে সচেতন নন। ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষার অধিকার নিয়ে ওয়াকিবহাল নন অনেকে। এজন্য ডাটা নিয়ন্ত্রক ও ডাটার উেসর মধ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ভূমিকা রাখা উচিত কর্তৃপক্ষকে।

বিআইএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ডাটা সংগ্রহে প্রযুক্তি প্লাটফর্মগুলো যেন ব্যবহারকারীর সম্মতি আদায়ে বাধ্য হয়, এ আইন করা উচিত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর হাব হিসেবে ডাটা নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে বিআইএস।

বর্তমানে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের নীতি প্রযোজ্য হচ্ছে। ২০১৮ সালে কার্যকর হওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল ডাটা প্রটেকশন রেগুলেশনকে (জিডিপিআর) সবচেয়ে সমন্বিত ব্যবস্থা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। যদিও এর বিভিন্ন ধারা-উপধারা নিয়ে নানা মহলের অভিযোগ রয়েছে। ইইউর তুলনায় বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত বেশ পিছিয়ে আছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর রাশ টেনে ধরার মতো এখনো পর্যাপ্ত নীতিমালা প্রস্তুত হয়নি। এতে ভোক্তা গোপনীয়তা আইন ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে।

বিআইএসের গবেষণা প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কোনো অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা সেবা গ্রহণের পর সেখানে যে ব্যবহারকারীর ডাটা মজুদ হয়ে পড়ে, সেটি সম্পর্কে বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই সচেতন নন। এদিকে কোম্পানিগুলো ওই পুঞ্জীভূত ডাটা মজুদ ও প্রক্রিয়াজাত করে থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করে। গ্রাহকের ডাটা সুরক্ষায় পাঁচটি মান নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব করে বিআইএস।

উদ্দেশ্যমূলকভাবে সীমা বেঁধে দেয়া:

কোনো ব্যবহারকারীর ডাটা কীভাবে ব্যবহার হবে, কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে, কতটুকু ব্যবহার করা যাবে—এ বিষয়টি নিশ্চিতে সুস্পষ্ট সীমা বেঁধে দিতে হবে।

ডাটা মিনিমাইজেশন:
অনলাইন প্লাটফর্মে শুধু অতটুকু ডাটা শেয়ার করতে দেয়া উচিত, যা আবশ্যক।

রিটেনশন রেস্ট্রিকশন:
প্রয়োজনের চেয়ে অধিক সময় যাতে ডাটা শেয়ার না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।

ব্যবহারে বিধিনিষেধ:
যে উদ্দেশ্যে ডাটা শেয়ার করা হয়েছে, স্রেফ সে উদ্দেশ্যেই যেন ডাটা ব্যবহার সীমিত থাকে তা নিশ্চিত করা।

প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা:

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারকারীদের ডাটা ব্যবহারে স্বচ্ছতা প্রদর্শনের পাশাপাশি তাদের ডাটা সুরক্ষায় যেন সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখে তা নিশ্চিত করা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »