বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
যশোরের জেলা প্রশাসকের কাছে চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান যশোরে দরিদ্র অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ যশোরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ টিকা দিতে আগ্রহ বাড়ছে রেজিষ্ট্রেশন করে মেসেজ না পেয়ে নারীপুরুষ স্বাস্থ্য বিভাগে ঘুরপাক খাচ্ছে  যশোর সদরে  মারপিট ও টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা যশোরে  ইয়াবা,গাঁজা উদ্ধার গ্রেফতার-৩ যশোরে পুকুরে ডুবে ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণই বাংলাদেশের উন্নতি…প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঝিনাইদহের  কোটচাঁদপুর সাপের কামড়ে স্কুল ছাত্রের মৃতু জাপান থেকে ৬ লাখ ১৬ হাজার টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৩৫ জনের মৃত্যু
যশোরে নয় প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা

যশোরে নয় প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা

বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার: যশোরে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে নয় প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যার নাম্বার ১১/২০১৯। রোববার যশোরে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ মামলা আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে তদন্তের নির্দেশ দেয়। মামলার বাদী যশোর সদরের বসুন্দিয়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে এবং সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য কওসার আলী।

আসামিরা হচ্ছে যশোর সদরের সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হান্নান, সহসুপারিটেনডেন্ট শহিদুল ইসলাম,শিক্ষক কোবাদ আলী,মাসুমা সুলতানা,লুসিয়ারা খানম, মাদ্রাসার সভাপতি এস এম লাবুয়াল হক রিপন,যশোরের সাবেক শিক্ষা অসিসার ড. সাধন কুমার বিশ্বাস,রূপালী ব্যাংকের যশোর শাখার এজিএম ইমদাদুল হক নূরানী,জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম টুকু।

মামলার বাদী যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে এবং সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য কওসার আলী।

মামলায় বলা হয়েছে ১৯৯১ সিঙ্গিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা হয়। একই বছর মাদ্রাসাটি এমপিও হয়। ২০০৮ সালে ৯ মার্চ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এক তদন্তে মাদ্রাসার একাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির কাগজ পত্র চায়। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ২০০৯ সালে ২৪ অক্টোবর মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি সুপার আব্দুল হান্নান,সহকারী শিক্ষক মাসুমা সুলতানাকে বরখাস্ত করেন। ২০১০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এক তদন্তে উল্লেখ করেন, মাদ্রাসার সুপার ও তিনজন সহকারী শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির কোন কাগজপত্র নেই। তারা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারিনি। এরপর ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একপত্রে উল্লেখ করেন, তদন্তে সুপার ও তিনজন শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির কোন কাগজ পাওয়া যায়নি। ২০১২ সালের ৫ সেপ্টম্বর যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাদ্রাসার সহ-সুপার শহিদুল ইসলামের এমপিও বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিপ্তরকে অবহিত করেন। কিন্তু এসব দুর্নীতির বিষয়ে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে,মাদ্রাসার তৎকালীন সুপার শহিদুল ইসলামের এমপিও’র ইনডেস্ক নম্বর টি-১৪৬৮। তার এই ইনডেক্স ব্যবহার করে মাদ্রাসার অপর এক ভুয়া সহ সুপার শহিদুল ইসলাম নিজে বেতন-ভাতা উত্তেলন করে আসছেন।তার একাজে সহযোগিতা করছেন রূপালী ব্যাংক মিস্ত্রিখানা সড়কের যশোর শাখার ম্যানেজার।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »