সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
মানুষের জীবন বাঁচাতে লাগে খাদ্য, ধনী গরীব জাতকুল ভেদাভেদ থাকেনা সেই খাদ্য নিয়েও প্রতারনার শিকার হচ্ছে মানুষ

মানুষের জীবন বাঁচাতে লাগে খাদ্য, ধনী গরীব জাতকুল ভেদাভেদ থাকেনা সেই খাদ্য নিয়েও প্রতারনার শিকার হচ্ছে মানুষ

হারুন অর রশীদ:
মানুষের জীবন বাঁচাতে লাগে খাদ্য,ধনী গরীব জাতকুল ভেদাভেদ থাকে না এখানে সেই খাদ্যেরে নিয়ে প্রতারনার শিকার হচ্ছে মানুষ। অন্ধ বিশ^াসে খরিদ করে চাউল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। কোটি থেকে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে চাউলের মিল মালিক থেকে আড়ৎদারদের ব্যাপক কারচুপি যা ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যায়। যার জলন্ত প্রমান মিললো একজন সচেতন ক্রেতার মাধ্যম দিয়ে, জনৈক ক্রেতা মোঃ জাহিদ হোসেন ২৫ কেজির এক বস্তা চাউল খরিদ করেন জোড়া কবুতর মার্কা, নাম দেওয়া আছে কাজললতা বস্তার গায়ে লেখা আছে নিট ওজন ২৫ কেজি ক্রেতা একটি দোকানে নিয়ে ডিজিটাল মেশিনে চাউলের বস্তাটি মাপ দিয়ে দেখলেন ২৪ কেজি ৫০০ গ্রাম, খালি বস্তার ওজন ৩০০ গ্রাম এমনভাবে প্রতিটা মিল মালিক আড়ৎদার দের কৌশল ৫০০ গ্রাম করে বস্তা প্রতি কম দেওয়া হয় তাহলে প্রতিনিয়ত কতো হাজার টন চাউল মানুষকে কম দেওয়া হচ্ছে, দামের সময় তার পূর্ন টাকা বুঝে নিচ্ছে। সাধারন মানুষ হোক বা কোটিপতিই হোক সে যখন তার খাদ্য খরিদ করছেন তখন সে ক্রেতা ২৫ কেজি হিসাবেই খরিদ করেন যেহেতু চাউলের বস্তার গায়ে নিট ওজন লেখা ইনটেক করা থাকে। মিল থেকেই সে কারনে ক্রেতারা পরবর্তীতে ওজন দেওয়ার কথা ভাবেন না এমন ও ব্যক্তি আছেন যার প্রতি মাসে ১০০ কেজি চাউল লাগে তাহলে দুই কেজি চাউল তার কম হয় যার মূল্য ৬০ টাকা করে হলে ১২০ টাকার ঘাটতি। এভাবে প্রতিনিয়ত সারাদেশ জুড়ে কতো মানুষ প্রতারনার শিকার হচ্ছে, শুধু এখানেই শেষ নয় ভোজ্য তৈল বোতলজাহ করা ৫ লিটার ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম কম। আধনিক যুগ তাই মানুষ ইনটেক মাল খরিদ করার উপর ঝুকে পড়েছেন, তেমনি এই সুযোগ টাকে কাজে লাগিয়ে মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা তাদের আখের ঘুছানোর জন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই করছে, ভোক্তা অধিকার আইন আছে কাগজে কলমে, মাঠে নেই কেও, তাই প্রয়োজনে ভোক্তা অধিকার সহ আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারী এবং প্রতিটা মিলকে তদারকি করা, প্রতিটা আড়ৎতে বস্তা প্রতি ওজন দেওয়া। একটু ভাবলে পরিষ্কার হবে প্রতিদিন কতো লাখ টন চাউল বিক্রয় হচ্ছে আর এ সমস্ত দূর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা গোফে তেল লাগিয়ে তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সাধারন মানুষ মনে করেন যে ভোক্তা অধিকার সহ আইন শৃংঙ্খা বাহিনীর নড়ে চড়ে বসা উচিত বলে মনে করেন।

 

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »