সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
বাঁধের এক পাশের কাজ শেষ না হতে অন্য পাশ ভাঙছে কেন….প্রধানমন্ত্রী

বাঁধের এক পাশের কাজ শেষ না হতে অন্য পাশ ভাঙছে কেন….প্রধানমন্ত্রী

জয় বাংলা নিউজ ডেস্ক:

নদীতীরবর্তী বাঁধ নির্মাণের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ও সঠিকভাবে কাজের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাঁধের এক পাশের কাজ শেষ না হতে অন্য পাশ যেন না ভাঙে। যে কাজটাই করা হোক না কেন, সেটি দ্রুত ও টেকসইভাবে করতে হবে। এছাড়া বিনোদন ও শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বুদ্ধ করতে কক্সবাজারে একটি মেরিন ফিশ অ্যাকুয়ারিয়াম নির্মাণ করতে হবে।

গতকাল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ সভায় অংশ নেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রসঙ্গে এমএ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আপনারা একটু একটু করে কাজ করেন। বাঁধের এক কাজ শেষ করতে করতে আগের কাজ ভেঙে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অতি দ্রুত কাজ করতে, মিলিটারি কায়দায় কুইকলি শেষ করতে হবে। তিনি বলেছেন, যেটা করবেন সেটা যেন টিকে থাকে। যদি গদাই লস্করি চালে করেন, তাহলে এক মাইলের শেষ মাথায় যেতে যেতে শুরুর মাথা ভেঙে যাবে।

একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্পের অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো ইরিগেশন ম্যানেজমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট ফর মুহুরি (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, তজুমদ্দিন ও লালমোহন উপজেলায় উপকূলীয় বাঁধ পুনর্বাসন, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষণ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প, নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প এবং কিশোরগঞ্জ জেলার ১০টি উপজেলায় নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ, ওয়েভ প্রটেকশন এবং খাল পুনর্খনন প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিওআরআই) দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে মেরিন ফিশ অ্যাকুয়ারিয়াম স্থাপনের নির্দেশনা দেন।

শ্রীলংকার মতো বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে অর্থ ব্যয় করে না। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শ্রীলংকার সঙ্গে বাংলাদেশকে মেলাবেন না। কেউ কেউ শ্রীলংকাকে বাংলাদেশের ওপর বসিয়ে দিচ্ছেন, এটা ঠিক নয়। আমরা অপ্রয়োজনীয় কাজ করি না। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য যা কল্যাণ তাই করি। শ্রীলংকা ও আমাদের প্রেক্ষাপট এক নয়। কেউ কেউ শ্রীলংকাকে বাংলাদেশের ওপর বসিয়ে দিচ্ছে, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা এক নয়। অনেক রিপোর্ট দেখছি, আমাদের বিশ্বাস এগুলো কাজে দেবে। আমরা গবেষণা করছি, দেখছি ও শুনছি। আবারো বলছি, শ্রীলংকার অর্থনীতি ও বাংলাদেশের অর্থনীতি এক নয়, কেউ মেলাতেও যাবেন না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »