বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

রাহিঙ্গা আতঙ্ক যশোর বাসী নানা গুঞ্জ¡ন মুখে মুখে \ সঠিক কোনটা?

রাহিঙ্গা আতঙ্ক যশোর বাসী নানা গুঞ্জ¡ন মুখে মুখে \ সঠিক কোনটা?

হারুন অর রশীদ: যশোর সদর সহ পার্শবর্তী উপজেলার থানা এলাকা গুলোতে রোহিঙ্গা, ছেলে ধরা আতঙ্কে সাধারণ গ্রামবাসীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। স¤প্রতি শহর ও শহরঢালীতে মানুষের মুখে মুখে রোহিঙ্গা সন্দেহ, মহিা ও পুরুষদের গ্রামবাসীরা ধরে গণ ধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। যশোর ঝিকরগাছা, শার্শা, বেনাপোল, মনিরামপুর, কেশবপুর, সদর থারার লেবুতলা, শ্রীরামপুর, নওয়াপাড়া অপরিচিত লোক বা নারীদেরকে এলোমেলো চলাফেরা করতে দেখলেই গণ ধোলাই দেওয়া হচ্ছে। এসমস্ত রোহিঙ্গারা শিশু অপহরণ করছে বলে অভিভাবকরা আতঙ্কিত রয়েছে। এদিকে পুলিশ বলছে ছেলে ধরা নিছক গুজব মানষিক প্রতিবন্ধী অপরিচিত লোকজনের এলাকায় এলোমেলো চলাফেরা দেখলেই গণধোলাই এর ধীকার হচ্ছে। এসব ব্যক্তিরা ইতিমধ্যে গত শুক্রবার সকালে বেনাপোল মাছ বাজার এলাকা ফুলবানু (৫০), নামে এক রোহিঙ্গা নারীকে আটক করে স্থানীয়রা জানায় বাজার সংলগ্ন নাছিরের বাড়ীর ভাড়াটিয়া প্রদিপ দাসের ছেলে কুমার (৫) ও আলেক হোসেন এর ছেলে মুনছর (৪) নামে দুই শিশুকে নিয়ে রোহিঙ্গা মহিলা মিষ্টি দিয়ে তাদের তুলিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনগণের হাতে আটক হয়। রোহিঙ্গা ওই নারীর নিকট তার নাম বাড়ী কেথায় জানতে চাইলে সে জানায় তার বাড়ী মায়ানমারে ছিলো তার নাম ফুলু বলে শিকার করে। পরে স্থানীয় জনগণ রোহিঙ্গা ্ওই নারীকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে খরব দিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়, বেনাপোল পোর্ট থানা এস.আই আব্দুল লতিফ ঘটনা সত্যতা শিকার করেছে এ ঘটনায় পোর্ট থানায় মামলা হয়েছে। একই দিন ঝিকরগাছা থানাধীন জননী সুপার মার্কেট এলাকায় এক যুবককে গণধোলাই দেয় স্থানীরা বৃহস্পতিবার দুপুরে পার বাজার এলাকায় অপর এক যুবককে ছেলেধরা সন্দেহে মারপিট করা হয়। বুধবার রাতে শ্রীরাম গ্রামে ও নওয়াপাড়া গ্রামে দুই নারীকে গণ পিটুনী দেওয়া হয়। এছাড়াও মঙ্গলবার বিকালে বেজিয়াতলা গ্রামে এক ব্যক্তিকে গণ ধোলাই দেয় স্থানীয়রা। অপরদিকে ১১ মে গভীর রাতে গণ ধোলাই এর শিকার হয় আরো দুই যুবক তাদেরকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা মেডিকেল হাসপাতাল যশোর ভর্তি করা হয়। আহতরা জানায় তাদের বাড়ী মায়ানমার হাতিয়া গ্রামে আব্দুল আলিম এর ছেলে জুয়েল (২৫), বারমার সাহেব আলির ছেলে ডাটকে ওরফে শহীদ (২৬) এর দুই জনী পুলিশ পাহারায় রয়েছে। এদিকে যশোর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনছার উদ্দিন বলেন কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে। এলাকার লোকজন অপরিচিত ও মানষিক ভারসম্যহীন ব্যক্তিদের দেখলেই ছেলেধরা গুজবে গণধোলাই দিচ্ছে। এ বিষয়ে সচেতনার জন্য ঝিকরগাছা সহ অনান্য থানার ওসিকে মাইকিং করতে বলেছি। যশোর কোথাও রোহিঙ্গা কিংবা ছেলেধরা কোন ঘটনা ঘটেনী। গুজব না ছড়িয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানাচ্ছি। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ গ্রামবাসী শহর শহরতলী অলিতে গলিতে, চায়ের দোকান একই আলোচনার ঝড় বইছে সবার মুখে একি কথা এলোকগুলো কারা এতোদিন তো এমন ধরনের মানুষ তোন দেখিনী। এ প্রশ্ন এখনকার কাছে প্রশাসন নাকি জনগণ এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন, একাধিক অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন এমন ভাবে যদি রোহিঙ্গা জনগোষ্টি বীজ বপন করে থাকে তাহলে আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর রুপ নিতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন। তাই সঠিক সময় সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন সচেতন মহল।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »