মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

ভ্যাকসিন নিয়ে আরও সুখবর আসছে

ভ্যাকসিন নিয়ে আরও সুখবর আসছে

জয় ডেস্ক : করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা নিয়ে আরও সুখবর আসছে। প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়া ইতোমধ্যে ‘স্পুটনিক-৫’ নামের একটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে। আরেকটি টিকা অক্টোবরে অনুমোদন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্বজুড়ে ১৪২টি করোনা প্রতিষেধকের প্রাথমিক পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। অন্যদিকে চীনের ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্ম সিনোভ্যাক বায়োটেক জানিয়েছে, চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষায় থাকা তাদের একটি টিকা আগামী বছরের শুরুর দিকে ব্যাপক সংখ্যায় মানুষকে দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেক কোম্পানি নোভাভ্যাক্স জানিয়েছে, তাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অর্থাৎ তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। যুক্তরাজ্যে এ পরীক্ষা চলছে। খবর এএফপি ও মস্কো টাইমসের।

চীনের ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্ম সিনোভ্যাক বায়োটেকের প্রেসিডেন্ট ইয়িন ওয়েদং গত বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে জানান, বেইজিংয়ে তার কোম্পানির তৈরি করোনাভ্যাক নামের টিকা বছরে ৩০ কোটি ডোজ তৈরির সক্ষমতা রয়েছে তাদের। সিনোভ্যাক গত মার্চ মাসে বেইজিংয়ে বিশেষায়িত করোনা ল্যাব স্থাপন করে। কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনার সম্ভাব্য টিকা উৎপাদনে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের অক্টোবরেই করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় টিকা আনতে যাচ্ছে রাশিয়া। গত বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, খুব শিগগিরই করোনার দ্বিতীয় টিকার অনুমোদন দেবে মস্কো। আর গত বৃহস্পতিবার দেশটির জাতীয় কনজ্যুমার হেলথ ওয়াচডগ নামের এক সংস্থা জানিয়েছে, এই টিকাটি ভেক্টর গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করেছে। টিকাটির নাম দেওয়া হয়েছে ইপিভ্যাককরোনা। রাশিয়া সরকার ১৫ অক্টোবর এর অনুমোদন দিতে পারে।

রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী তাতিয়ানা গোলিকোভার দাবি করেছেন, সেপ্টেম্বরেই সাইবেরিয়ায় ইপিভ্যাককরোনা নামে টিকার প্রাথমিক পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হবে। বিশ্বের প্রথম করোনা প্রতিষেধক হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে রাশিয়ার স্পুটনিক-৫। এর পরীক্ষার ফলাফলে দাবি করা হয়েছে, এই টিকা ২৮ দিনের মধ্যেই শরীরে শক্তিশালী টি-সেল তৈরি করতে সক্ষম।

বিশ্বব্যাপী ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তৃতীয় ধাপে পৌঁছানো ১১তম করোনার ভ্যাকসিন হলো নোভাভ্যাক্স। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ কোম্পানিকে ১৬০ কোটি ডলার দিয়েছে। মেরিল্যান্ডভিত্তিক এ কোম্পানি ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের সংশ্নেষিত বিভিন্ন ক্ষুদ্র অংশ জন্মাতে কীট কোষ ব্যবহার করে। এটি মানবদেহে দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চীনের আরেক টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কানসিনো বায়োলজিকস তাদের টিকা নিয়ে রাশিয়ায় বড় আকারের পরীক্ষা চালাচ্ছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে মস্কোয় যেসব স্বেচ্ছাসেবী পরীক্ষামূলকভাবে টিকাটি নিয়েছেন, তাদের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। টিকাটির নাম ‘অ্যাড৫-এন কোভ’। কানসিনো চীনা সেনাবাহিনীর গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে এটি তৈরি করেছে। গত মাসে টিকাটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেয় রাশিয়া। দেশটির ওষুধ কোম্পানি পেট্রোভ্যাক্সের সঙ্গে মিলে টিকাটি নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে কানসিনো।

জয় বাংলা নিউজ/সস

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »