সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

মোংলা বন্দরে নৌযান মাষ্টার ও কনজারভেন্সী কর্মকতা আ: মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

মোংলা বন্দরে নৌযান মাষ্টার ও কনজারভেন্সী কর্মকতা আ: মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

শেখ রাসেল বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: যথাযথ নিয়ম না মেনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারী পদ মযার্দার এক নৌযান মাষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন কনজারভেন্সী পদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবেও। একই সাথে তিনি নৌযান চালকের (মাষ্টার) দায়িত্বে থেকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ডিউটি করার অজুহাত দেখিয়ে বন্দরের কোষাগার থেকে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন। সেই সাথে কনজারভেন্সী কর্মকর্তার পদ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কাছ থেকে নানান সুযোগ-সুবিধা নেয়াসহ বিভিন্ন অজুহাতে বন্দরের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি হলেন আঃ মান্নান মল্লিক। মোংলা বন্দর কর্তৃপেক্ষর এম,ভি মালঞ্চ জাহাজের মাষ্টার (চালক) হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি থেকে বন্দরের হারবার বিভাগের সুপারিশে দায়িত্ব পালন করছেন কনজারভেন্সী কর্মকর্তা হিসেবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নৌযান এম,ভি মেঘদূতএর সুকানী মো: জামাল উদ্দিন জানান, কনজারভেন্সী কর্মকর্তার সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে আঃ মান্নান মল্লিক প্রতিনিয়ত সরকারী টাকা আত্বসাৎ করছেন। মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি কয়েক ঘন্টা জাহাজ চালিয়ে দুই দফায় ১০৪ ব্যারেল ডিজেল আত্মসাৎ করেছেন। আঃ মান্নান প্রতি মাসে ৪৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত ডিউটি দেখিয়ে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক আদেশ ছাড়াই শুধুমাত্র দপ্তর প্রধানের সুপারিশে কনজারভেন্সী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়ে নদীতে স্যালভেজ কার্যক্রমের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন আঃ মান্নান।

অন্যদিকে বন্দরের নৌযান এম,এল পান্না জাহাজের আরেক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, আঃ মান্নানের অত্যাচারে তারা এখন অতিষ্ঠ। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে মান্নান কনজারভেন্সী কর্মকর্তার পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন। আর তাদের (কর্মকতার্দের) সাথে মান্নানের সুসম্পর্কের কারণে আমাদের উপর অত্যাচারের বিষয়ে চাকুরী হারানোর ভয়ে মুখ খুলতে পারছিনা।

তবে এতোসব অভিযোগের বিষয়ের আঃ মান্নান বলেন, তিনি যথাযথ নিয়ম মেনে সকল দায়িত্ব পালন করছেন। কোন অনিয়মের সাথে তিনি জড়িত নন।

মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের  হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য ছিলেন প্রথম শ্রেণীর মাষ্টার আঃ মান্নান। কিন্তু তিনি পদোন্নতি নিতে রাজি হননি। তাই দপ্তর প্রধান হিসেবে আমি (হারবার মাষ্টার) আদেশ দিয়েছি অতিরিক্ত হিসেবে কনজারভেন্সীর দায়িত্ব পালন করার জন্য। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের প্রসাশনিক কোন আদেশ রয়েছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি (হারবার মাষ্টার) বলেন, কনজারভেন্সী দায়িত্ব পালনের কোন সুবিধা আঃ মান্নান পাবেন না, তাই কোন প্রশাসনিক আদেশ দেয়া হয়নি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »