বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
শিরোনাম :
বিশ্বের প্রথম উচ্চ প্রযুক্তির ভাসমান দুগ্ধ খামার

বিশ্বের প্রথম উচ্চ প্রযুক্তির ভাসমান দুগ্ধ খামার

বিজ্ঞাপন

জয় ডেক্স:: নেদারল্যান্ডে হচ্ছে বিশ্বের প্রথম উচ্চ প্রযুক্তির ভাসমান দুগ্ধ খামার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচু হওয়ায় নেদারল্যান্ড দেশটির চারদিকে বাঁধ দেয়া আছে। ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ গত কারণে ডাচরা সমুদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। তাই তারা বাঁধ ও সেতু নির্মাণে বেশ দক্ষ। শুধু নিজ দেশেই নয়, বিশ্বের নানান দেশেই ডাচদের তৈরী শহর রক্ষা বাঁধ ও সেতু রয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় নিজ দেশে ভাসমান দুগ্ধ খামার নির্মাণ করছে ডাচরা।

পানিতে ভাসমান এই খামারটি সেই দেশের ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা পূরণ করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এই ফার্মটির অবস্থান রটারডামে। বলা হচ্ছে, বিশেষ এই স্থাপনাটি ডাচদের আইকনিক স্থাপনার একটি হবে।

বেলাডন নামের প্রপার্টি কোম্পানি বন্দরনগরী রটরডামে এই বিশেষ খামারটি বানাবে। খামার পরিচালনায় উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নেয়া হবে বলেও জানা গেছে। গরু থেকে দুধ দোহন, দুধ পরিবহনে বিশেষ পরিবহন ও বিশেষ এলইডি বাতির ব্যবহার হবে খামারে। তিনতলা উচ্চতার খামারটি সমুদ্রতটে নোঙর করা থাকবে। খামারটি চালু হবে চলতি বছরের শেষ দিকে। দৈনিক ৮০০ লিটার দুধ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে খামারটির।

এ ধরণের খামারের ধারণা প্রথম দেন ডাচ প্রকৌশলী পিটার ভ্যান ভিনডেগারডেন। তিনি জানান, হ্যারিকেন স্যান্ডির আঘাতে অনেক খামার তলিয়ে যাওয়ায় তাজা খাবার সংকট দেখা দেয়। তখন থেকেই প্রযুক্তি নির্ভর খামারের পরিকল্পনা করেন এই প্রকৌশলী। খামারে ব্যবহৃত উপকরণ পুনর্ব্যবহার করা হবে। খাবার আসবে রটারডামের ৮০ ভাগ খাদ্য শিল্প থেকে। এছাড়াও খামারে উৎপাদিত ঘাসও দেয়া হবে গরুদের। স্থানীয় গম মিল থেকে কিছু উপজাত সংগ্রহ করা হবে। এখানকার শক্তির চাহিদা মেটানো হবে সৌর বিদ্যুৎ এর সাহায্যে। বিশেষ সেলফ ব্যবহার করে ঘাস উৎপাদন করা হবে সেখানে। এই খামারে উৎপাদিত দুধ উৎপাদনের পর বিশেষ প্রক্রিয়ায় সেখানে পাস্তুরিত করা হবে। এখানে দইও উৎপাদিত হবে। গোবর ব্যবহার হবে সার হিসেবে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, এটি হবে আইকনিক স্থাপনা ও মাইলফলক যা ভবিষ্যতে এ ধরনের খামার করতে উদ্বুদ্ধ করবে। পানি, সার ও কীটনাশক কম লাগায় আদর্শ হয়ে উঠতে পারে এই খামারটি। তবে ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদায় এ ধরনের খামার কতটা যোগান দিতে পারে সেটা এখন দেখার বিষয়।  সুত্র:সকালের সময়

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »