রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
বরিশালে ইলিশে রেকর্ড

বরিশালে ইলিশে রেকর্ড

বিজ্ঞাপন

বরিশাল সংবাদদাতা।
বরিশাল জেলায় গত বছরের তুলনায় প্রায় আট হাজার মেট্রিক টন ইলিশ বেশি ধরা পড়েছে। এই রেকর্ড সংখ্যক ইলিশ ধরার পেছনে জাটকা নিধন প্রতিরোধ ও মা ইলিশ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

অন্যদিকে দেশের অন্যতম অর্থকরী মৎস্য সম্পদ চিংড়ি উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি উপজেলা। সাধারণত এই অঞ্চলের মৎস্য চাষিদের কাছে চিংড়ি চাষ জনপ্রিয় নয়। তবে এখানকার মৎস্য দফতর থেকে জানানো হয়েছে মিঠা পানির চিংড়ি চাষে বরিশালে রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

জেলার ১২টি নদীর আয়তন এক লাখ তিন হাজার দুইশত ঊনপঞ্চাশ হেক্টর। এসব নদী থেকে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪২ হাজার ৩৮৮ মেট্রিক টন ইলিশ ধরা হয়েছিল। চলতি বছরে এই পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে পঞ্চাশ হাজার মেট্রিক টন।

অন্যদিকে, জেলার দশটি উপজেলায় সরকারি ২৭৮টি ও বেসরকারি ৬৭ হাজার ৯৬৩ টি বদ্ধ জলাশয় রয়েছে। এগুলোর মোট আয়তন আট হাজার আটশো একান্ন দশমিক সাতাশি হেক্টর। এগুলোর মধ্যে আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে স্বাদু পানির গলদা চিংড়ি পালনে সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে জেলার মৎস্য বিভাগ।

জেলার নিবন্ধিত ৪৪ হাজার ৪২৩ জন মৎস্য চাষিসহ অন্যান্যদের মাঝে চিংড়ি চাষ জনপ্রিয় করার ব্যাপারে সহযোগী মনোভাব প্রকাশ করেছেন বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এসব ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু সাইদ জানান, এই মৌসুমে জাটকা নিধন প্রতিরোধ ও মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর নজরদারি রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদফতর। যে কারণে ইলিশের ব্যাপক উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

অপরদিকে জেলার দুটি উপজেলায় (আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর) বিগত কয়েক বছর যাবত চিংড়ি উৎপাদন বাড়ছে। জেলার নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মৎস্য চাষিদের যদি চিংড়ি চাষের ব্যাপারে উৎসাহী করা যায় তবে ব্যাপক সম্ভাবনা ও সাফল্য ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করছে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা। আর এজন্য জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণের প্রতি জোর দেন তিনি।

এ ব্যাপারে বরিশালের ডিসি এসএম অজিয়র রহমান জানান, মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা নিধন বন্ধে যথেষ্ট সোচ্চার ছিলেন তারা। এ কারণে ইলিশের বৃহৎ আহরণ সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সরকার ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বরিশালের সংশ্লিষ্টরা যদি সেগুলো বাস্তবায়নে তৎপর হন তবে আরো বেশি ইলিশ এ জেলায় উৎপাদন সম্ভব।

জয় বাংলা নিউজ/ডেবা

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »