রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্য কর্মীর উন্নতি:  উপসর্গ বাড়ির মালিকের ছেলের

মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্য কর্মীর উন্নতি:  উপসর্গ বাড়ির মালিকের ছেলের

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের মণিরামপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এদিকে করোনা পরীক্ষার জন্য  হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৫ চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মী  ও বাড়ির মালিকের ছেলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বুধবার কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) মেহেদি হাসান ওই ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। এর আগে আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর স্ত্রী ও শিশু সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো। তবে তাদের পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো প্রকাশ পায়নি।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সেই স্বাস্থ্যকর্মী নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) আনিসুজ্জামান জানান, আক্রান্ত ওই স্বাস্থ্য কর্মীর অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে শুনেছি। এখন তার গলায় ব্যথা শ্বাসকষ্ট ও কাঁশি নেই। সামান্য পরিমাণে জ্বর রয়েছে।  এদিকে তিনি মণিরাপুরের যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ির মালিকের ছেলে জ্বর, কাঁশি গলায় ব্যথা ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নমুনা পরীক্ষার পর ১২ এপ্রিল নিশ্চিত হন ওই স্বাস্থ্যকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর স্বাস্থ্যকর্মীর নিজ বাড়ি, শ্বশুর বাড়ি, ভাড়ার বাড়ি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মসজিদ ও শ্বশুর বাড়ি গ্রামের একটি মসজিদ লকডাউন করা হয়। উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা.অনুপসহ ১০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। পরের দিন তার স্ত্রী সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া গতকাল নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা.অনুপ কুমার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) আনিসুজ্জামান, ইপিআই টেকনোলজিস্ট সাধনা মিত্র, পরিসংখ্যানবীদ শিমুল হোসেন ও বাড়ির মালিকের ছেলের। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ আমরা সবাই ওই স্বাস্থ্য কর্মীর সংস্পর্শে ছিলাম। আমাদের কারো  শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হবে। একটি সূত্র জানিয়েছে, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকাদের মধ্যে বাড়ির মালিকের ছেলের  ইতিমধ্যে জ্বর জ্বর, কাশি ,গলায় ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। ক্রমেই তার অবস্থা গুরুতর হচ্ছে। তার মুখ ফুলে গেছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল আকতার জানান, আক্রান্তের ভাড়াবাড়ি লক ডাউন হওয়ার পর সেখানে মোট  ৫ টি পরিবারের ২৪ জন সদস্য কোয়ারেন্টানে রয়েছেন। তাদের কেউ বাইরে বের হতে পারছেন না। আমি নিজে থেকে তাদের খোঁজ রাখছি। তাদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে কথা যোগযোগ রক্ষা করে চলেছি। বাড়ির মালিকের ছেলের গুরুতর অবস্থার কথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী জানিয়েছেন, তার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »