বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন

এ কাজটি করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি……যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

এ কাজটি করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি……যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

 

হারুন অর রশিদ: যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের উদ্যোগে  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের হাতে মঞ্জুরির কাগজপত্র সহজে হাতে পাচ্ছে । এ ঘটনায় শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন পড়েছে । ইতোপুর্ পেনশনের হয়রানি কথা মনে হলে সকলের মনে অতংক বিরাজ করতো। পেনশনের হয়রানি বা ভোগান্তির যন্ত্রা নিবাারণ করে চলেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের সেবামুলক প্রচেষ্টায়।

এ ব্যাপারে যশোর চৌগাছার ভাদড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক আবদার রহমান নিজের অনুভুতি ব্যাক্ত করেছেন

অবসরোত্তর ছুটি গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার তিনদিন আগেই ২৭ ডিসেম্বর পিআরএল মঞ্জুরির কাগজপত্র হাতে পেয়েছি। এটি সম্ভব হয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল। ইতোমধ্যে

যশোর জেলায় মোট একশ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এ সুবিধা পেয়েছেন। উপজেলায় বসে সহজেই হাতে পাচ্ছে পিআরএল ও অবসর ভাতার মঞ্জুরিপত্র। তার এ উদ্যোগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম বলেন,এক সময়  চাকরি জীবনের শেষে শিক্ষকদের পেনশন ও পিআরএল পাওনা টাকা হাতে পেতে যে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমনও দেখা গেছে টাকা পাওয়ার অপেক্ষা করতে করতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হয়েছে। এ কারণে আমি উদ্যোগ নিয়েছি উপজেলায় গিয়ে তাদের হাতে পেনশন ও পিআরএল কাগজপত্র তুলে দিই।  ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে আমি যশোরে যোগদান করি। যোগদানের পর থেকে এটি চালু করেছি।২০১৯ সালে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত একশ১০জন শিক্ষক আবসরে গেছেন। আমি  নিয়মিত উপজেলা অফিস পরিদর্শন ও বিদ্যালয় পরিদর্শন করি। এবং সকল রেজিস্টার যাচাই বাছাই করে কাজ সম্পন্ন করি। এ কাজটি করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।

 

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »