রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

প্রতিনিধি আবশ্যক :
বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা জয় বাংলা নিউজ ডট কম ( www.joibanglanews.com)এর জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা/থানা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি, অভিজ্ঞতা ( যদি থাকে) উল্লেখ পূর্বক জীবন বৃত্তান্ত এবং মোবাইল নাম্বার সহ ইমেইলে ( joibanglanews@gmail.com ) আবেদন করতে হবে।
যশোরে বিনা চিকিৎসায় নারী ওসির স্বামীর মৃত্যুর অভিযোগ

যশোরে বিনা চিকিৎসায় নারী ওসির স্বামীর মৃত্যুর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর জেনারেল হাসপাতালে নারী ওসির স্বামী আহসানুল ইসলাম বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের করোনারী ইউনিটে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আহসানুল ইসলাম পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকদিয়া গ্রামের মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী রোকসানা খাতুন নড়াইলের নড়াগতি থানার ওসি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং যশোর কোতয়ালি থানার স্টাফ কোয়াটারে বসবাস করেন। রোকসানা খাতুনের স্বামী বেনাপোল রেলওয়েতে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আহসানুল ইসলাম বুকে ব্যথা করছে বলে তার স্ত্রী রোকসানা খাতুনকে জানান। এসময় তার স্ত্রী যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল ক) গোলাম রব্বানীকে জানান। এসময় তিনি তার চিকিৎসার জন্য কোতয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। ওসি থানার এসআই আফম মনিরুজ্জামানের মাধ্যমে আহসানুল ইসলামকে সকাল সাত টা ৩৫ মিনিটে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রেরণ করেন। জরুরী বিভাগের চিকিৎসক এম আব্দুর রশিদ তাকে করোনারী ইউনিটে প্রেরণ করেন। সকাল ৮ টা ১০ মিনিটে করোনারী ইউনিটে ভর্তি করে ডাক্তার  সোহানুর রহমান ৮টা ২০ মিনিটে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ডাক্তার সোহানুর রহমান জানান, আহসানুল ইসলামকে বেডে আনার পর অস্থিরতার কারণে ইসিজি করা সম্ভব হয়নি। তারপর হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়। তাছাড়া তার স্বজনরা বাইরে থেকে ওষুধ আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ওসি রোকসানা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ সদস্য হিসেবে আমি জনগণকে সহায়তা করে আসছি। আজ আমার স্বামী বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন। তিনি হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ করেন।

করোনারী ইউনিটের ডাক্তার এসোসিয়েট প্রফেসর রফিকুজ্জামান জানান, আহসানুল ইসলামের অস্থিরতার কারণে ইসিজি করা সম্ভব হয়নি। তারপর ডাক্তার তাকে ওষুধ দিলেও তা আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলিপ কুমার বিনা চিকিৎসায় আহসানুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে বলে অস্বীকার করে বলেন, নিহতের স্বজনরা ঔষুধ আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন শিকদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) গোলাম রব্বানী, কোতয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালের ডাক্তারদের সাথে কথা বলেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Translate »