শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০১:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কালকিনিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবসের আয়োজন পৃথিবী কখনো দেখেনি এমন নৃশংসতা আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী নবাবগঞ্জ জামেয়া ইসলামীয়া কেরাতিয়া মাদরাসায় ফুটবল বিতরণ  করোনামুক্ত হলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান সবুজ শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সুপার সাময়িক বহিস্কার: আরো একটি তদন্ত কমিটি করোনামুক্ত হলেন নবাবগঞ্জের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল বেগম মাদারীপুরের কালকিনিতে দীর্ঘদিন পর ঐতিহ্যবাহী জাতীয় হা-ডুডু খেলা আয়োজন এমপি ইসরাফিলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল জাতির পিতার রক্ত যেন বৃথা না যায়
সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে বন্ধু হওয়াটা জরুরি

সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে বন্ধু হওয়াটা জরুরি

সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে বন্ধু হওয়াটা জরুরি

জয় ডেক্স : বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বাবা-মায়েদের পক্ষে সন্তানদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব! এই কারণেই সন্তানের সঙ্গে বেড়ে যায় দূরত্ব, তৈরি হয় বিরাট গ্যাপ। তাই মনোবিদদের পরামর্শ হল, অভিভাবক হওয়ার চেয়ে তাদের বন্ধু হওয়াটা জরুরি। যতটুকু সময় পাওয়া যায়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো মেলামেশা করা উচিত। তাতে সন্তানের মন বোঝা সহজ হবে।

এবার জেনে নেওয়া যাক বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের মন বুঝতে তার বন্ধু হয়ে উঠার উপায় সম্পর্কে…

* কর্ম ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন কিছুটা সময় দিন সন্তানকে। নিজের সারাদিনের অভিজ্ঞতাও সন্তানের সঙ্গে শেয়ার করুন। তারপর সন্তানের সারাদিনের খুঁটিনাটি, কোথায় গেল, কী করল, কী ভাবে কাটল— এসব জানার চেষ্টা করুন।

* সন্তানের কী ভাল লাগে, কী পছন্দ, কিসের শখ এবং তার কী স্বপ্ন জানার চেষ্টা করুন। ওর যেন মনে হয়, এগুলো আপনার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তব প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলুন।

* সন্তানের প্রিয় বন্ধু কে, কাদের সঙ্গে ও মেলামেশা করে, কী বিষয়ে ওদের মধ্যে আলোচনা হয় তা গল্পের ছলে জানার চেষ্টা করুন সময় নিয়ে। এক্ষেত্রে আপনার ছোটবেলার বন্ধুদের কথা বলতে পারেন।

* ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনার— আপনার সুবিধা মতো সন্তানের সঙ্গে সময় ভাগ করে নিন। চেষ্টা করুন, খাওয়ার সময়টুকু সন্তানকে সঙ্গ দিতে। কাজের চাপে সারাদিনে সম্ভব না হলেও যে কোন একটা নির্দিষ্ট সময় বাড়ির সকলে একসঙ্গে বসে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেটা সকালের কিংবা রাতের খাবার হতে পারে।

* সপ্তাহে বা মাসে অন্তত একবার সন্তানকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান। সারাটা দিন ওর সঙ্গে কাটান। ওর ছোট ছোট প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন সহজ সরল ব্যাখ্যায়।

* সন্তানের কোন আবদার বা বায়না মেটানোর জন্য পাল্টা কোন শর্ত চাপিয়ে দেবেন না। এতে ভবিষ্যতে সন্তানও আপনাদের ওপর নানা রকম শর্ত চাপিয়ে নিজেদের দাবি বা জেদ পূরণ করতে চাইবে।

* সন্তানকে সময় দেওয়ার সময় কোন ভাবেই যেন টেলিভিশন বা ফোন ওই সময়ের অংশ না হয়ে ওঠে তা লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানকে সময় দিতে না পারলেও ওর হাতে ভুলেও বিকল্প হিসাবে টিভির রিমোর্ট বা স্মার্টফোন তুলে দেবেন না। এর ফলে সন্তানের ক্ষতিই হবে।

 

 

 

 

 

 

 

সুত্র: সকালের সময়

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com