বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

যশোরে ফল ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করতে চান মিঠু খন্দকার

যশোরে ফল ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করতে চান মিঠু খন্দকার

 

স্টাফ রিপোর্টার: যশোর জেলা ফল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। নির্বাচনের তিন মাস আগেই মাঠে নেমে পড়েছে সম্ভব্য প্রার্থীরা। ইতিমধ্যে তারা ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন লাগিয়ে প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। আবার বর্তমান কমিটির কেউ কেউ পদ পরিবর্তন করে নতুন পদে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। আবার বেশ কয়েকজন নতুন মুখও ভেসে উঠেছে। যশোর মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফল মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে এসব চিত্র।

যশোর জেলা ফল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বর। এই নির্বাচনে এবার সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন বর্তমান কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠু খন্দকার। তিনি ইতিমধ্যে পুরো মণিহার এলাকায় নিজের প্রার্থীতা প্রকাশ করেছেন। মেরেছেন পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও প্যানা। আর এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় মিঠু খন্দকারের।

তিনি বলেন, গত তিন বছর সমিতির সদস্যদের কল্যাণে কাজ করেছি। ফল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য নিদিষ্টভাবে আনারস পট্টি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগে লিচু ব্যবসায়ীরা যশোর-খুলনা সড়কের ওপর বাজার বসাতো। এতে করে রাস্তা সব সময় জ্যাম থাকতো। ময়লা-কাদা পানিতে একাকার হয়ে থাকতো পুরো মণিহার এলাকা। মানুষ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারতো না। কিন্তু সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়েছি। লিচুর বাজার নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন মানুষ স্বাচ্ছন্দে লিচুর মার্কেট থেকে লিচু বেচাকেনা করতে পারে।

মিঠু খন্দকার বলেন, আমার ঐক্লান্তিক প্রচেষ্টার ফলে সমিতির সদস্যদের জমাকৃত টাকা ফেরত দানের ব্যবস্থা করেছি। এখনও যাদের টাকা জমা আছে, তারাও ফেরত পাবে।

মিঠু খন্দকার বলেন, আমি বর্তমান কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকে দায়িত্ব পালন করছি। সদস্যদের যাতে আরো বেশি কল্যাণে নিবেদিত হতে পারি সেজন্য পদ পরিবর্তন করেছি। আমি আগামী নির্বাচনে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি।

তিনি বলেন, আমি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারলে ফল ব্যবসায়ীদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। সমিতির সিনিয়র সদস্যদের মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক স্থান দেয়া হবে।

মিঠু খন্দকার বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকার কারণে সমিতির নিজস্ব সম্পদ বাড়ানো সম্ভব হয়নি। আগামীতে এসব সমস্যা দূর করে নিজস্ব সম্পদ বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, সমিতির যে সব সদস্য ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় তাদেরকে সমিতির পক্ষ থেকে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। সমিতির যে কোন সদস্যকে ঋণ দেওয়ারও ব্যববস্থা করা হবে।

মিঠু খন্দকার বলেন, সমিতির সদস্যদের জন্য কল্যাণ ফান্ড বৃদ্ধি করা হবে। যাতে করে কোন সদস্য যে কোন দুর্ঘটনা কিম্বা অসুস্থ্য হলে সমিতির পক্ষ থেকে চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করা যায়।

তিনি বলেন, সমিতি ছাড়াও অনেক ব্যবসায়ী আছেন, সেই সব প্রকৃত ব্যবসায়ীদের সমিতির অন্তভুক্ত করা হবে।

মিঠু খন্দকার বলেন, বিগত বছরগুলোয় ফল পট্টিতে বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারেনি। আগামীতেও প্রবেশ করতে পারবে না। তার জন্য সকল ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, এক কথায় সমিতির উন্নয়নের জন্য যা যা করার প্রয়োজন আমি নির্বাচিত হলে তা করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com