বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জের ছোট্র একটি গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া। সেই গ্রামের ছোট্র খোকাটির আজ ৪৪ তম শাহাদৎ বাষিকী পালন করতে যাচ্ছে। বড় কষ্টের এ দিনটি।

গোপালগঞ্জের ছোট্র একটি গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া। সেই গ্রামের ছোট্র খোকাটির আজ ৪৪ তম শাহাদৎ বাষিকী পালন করতে যাচ্ছে। বড় কষ্টের এ দিনটি।

 

হারুন অর রশীদঃ গোপালগঞ্জের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছায়াবিড় ছোট্র একটি গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া। গ্রামটির কোল বয়ে যাওয়া মধুমতি নদী। এই গ্রামেই ১৯২০-র ১৭ র্মাচ জন্মেছিল একশিশু, ছোটবেলায় বাব-মা আদর করে তাকে ডাকতেন খোকা বলে। ছোট্র গ্রামের এই ছোট্র খোকা একদিন হলেন বাঙালীর বড় নেতা শেখ মুজিবর রহমান, সর্ব শেষে আমরা পেলাম জাতির জনক বঙ্গবদ্ধু শেখ মুজিবর রহমান, আমাদের স্বাধীন বাংলার স্থপতি। ছায়া সুনিবিড় ছোট্ট গ্রামের সেই ছোট্ট খোকাটি আজ আমাদের মাঝে নেই, তার স্মৃতিটুকু জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক, সেই ছোট্ট খোকার আজ  ৪৪ তম শাহাদৎ বাষিকী পালন করতে যাচ্ছি। ঘাতকরা তাদের অপকর্ম অব্যাহত রাখার জন্যই সেই ছোট্ট খোকাটি, জাতির জনকের স্ব-পরিবারকে নৃশংস ভাবে হত্যা করলো, শিশু সন্তানটিকে বাচঁতে দিলো না, তেমনি একজন এ বাংলার স্থপতি হোয়েও, শিশুদের মতো ছিল তিনার আচারণ ভালোবাসা ছিলো এ বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের সাথে ঘাতকরা মেনে নিতে না পেরে আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নিলো তর তাঁজা কয়টি প্রাণ। ক্ষ্যান্ত হয়নি আজও তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকছে একের পর এক। জাতির জনক আমাদের মাঝে তার মানুষের প্রতি ভালোবাসা আছন্ন হয়ে থাকবে। যতদিন চন্দ্র সূর্য থাকবে ততদিন অমর হয়ে থাকবেন বঙ্গবদ্ধু শেখ মুজিবর রহমান।

সাহসী কিশোর খোকার জীবন শুরুর দিকে একটি ঘটনা, ১৯৩৮ সাল, খোকা তখন গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র। স্কুল পরিদর্শন এসেছেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক, সাথে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী হুসেন শহীদ সোহারাওয়াদী, স্কুল পরিদর্শন শেষে তারা ফিরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাদের পথ আটকে দাড়াঁলেন এই কিশোর শেখ মুজিবর রহমান। দাবী ছিলো স্কুলের ছাদ মেরামত করার, একজন কিশোরের সাহস আর দৃঢ়তার জন্য তা সম্ভব হয়েছিলো। স্কুল প্রশাসনের কোন ভুমিকার জন্য নয়। নেতৃত্ব হঠাৎ গজিয়ে ওঠে না, নেতৃত্ব জীবনের শুরু থেকে সাধনার ফসল। সেবার টুঙ্গিপাড়ায় ভালো ফসল হয়নি, দারিদ্র কৃষকের ঘরে হাহাকার। স্কুল থেকে বাড়ী ফেরার পথে কিশোর মুজিব এমন কয়জন কৃষককে বাড়ী ডেকে নিয়ে এলেন। তিনি ধান ভর্তি গোলা থেকে তাদের প্রত্যেকে দিলেন। উলে¬খ্য তিনি তা করেছিলেন বাবার অনুপস্থিতিতে এবং মাকে না জানিয়ে বাবার বকা খেয়ে তার দৃঢ়তার উত্তর ছিলো গরিবেরও পেট আছে, তাদেরও খিদে আছে। আমাদের অনেক আছে, তা থেকে কিছু দিয়েছি মাত্র। সেদিন ছেলের মানবিকতায় মুগ্ধ বাবা আর বকেনি।

আজীবন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাওয়া বঙ্গবন্ধুর জীবন শুরু হয়েছিলো এভাবে, কিন্তু ঘাতক চক্ররা  তার স্ব-পরিবার টাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করলো, চিরদিনের জন্য মুছে ফেলতে চেয়েছিলো জাতির জনকের নাম। কিন্তু মহান আল¬াহর কৃপায় প্রাণে রক্ষা পেলেন পিতার প্রথম বাস্তবায়ন সে হলেন আমাদের বঙ্গমাতা শেখ হাসিনা। পিতার ভালো বাসার মতো আগলে রেখেছেন সে নেত্রী, এভাবেই যেন এ বাংলার মানুষের কাছে সুখে দুখে থাকেন তিনি। মহান আল¬াহ তাকে দির্ঘজীবি করেন এই আমাদের কামনা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com