শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

বিজয়ের শুভেচ্ছাঃ
বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। জয় বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা।
নওগাঁ প্রবাসী খালার পাঠানো ১২লক্ষ টাকা আত্নসাত করেছে ভাগ্নি

নওগাঁ প্রবাসী খালার পাঠানো ১২লক্ষ টাকা আত্নসাত করেছে ভাগ্নি

ওমর ফারুক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-নওগাঁ সদর উপজেলার গোয়ালী গ্রামের বিধবা মোছা.ফাতেমা বেগম (২৭) জীবনের তাগিতে ২০১৩ সালে পারি জমান লেবাননে। তারপর থেকে ঘামঝড়া পরিশ্রম করতে শুরু করেন। দেশে দুই সন্তানের পড়ালেখা, জায়গা জমি কেনা এবং দেশে টাকা সঞ্চয় করে রাখার জন্য তার আপন ভাগ্নি নওগাঁর মান্দার সতীহাটের সৈয়দপুর গ্রামের কছিমুদ্দিনের স্ত্রী কাজল রেখাকে ব্যাংকের মাধ্যমে বিভন্ন সময়ে মোট ১২লক্ষ ৫০হাজার টাকা প্রেরণ করে। কিন্তু গত তিন মাস পূর্বে দেশে ফিরেন ফাতেমা বেগম। তার পর থেকে কয়েকবার কাজল রেখাকে টাকা ফিরে দেয়ার কথা বললে নানা ভাবে টালবাহানা শুরু করে সময় ক্ষেপন শুরুকরে। তার পর একদিন বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে নানা ভাবে হুমকি প্রদান করে কাজল রেখা ও তার স্বামী কছিমুদ্দিন। এ বিয়য়ে মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোন সুরাহা পাননি ফাতেমা বেগম। ফাতেমা বেগম জানান, আমি বিদেশে থাকা কালীন সময়ে কয়েকবার আমার ভাগ্নি কাজল রেখার নামে টাকা পাঠায় যার পরিমান ১২লক্ষ ৫০ হাজারের মত। আমি কিছু জায়গা জমি কিনব। আমার সন্তানদের জন্য খরচ এবং কিছু টাকা যাতে সঞ্চয় থাকে দেশে সে জন্য। কিন্তু আমার টাকা দিয়ে কাজল রেখা নিজের নতুন ঘড় নির্মান করছে জমি কিনেছে তাদের নামে। বিভন্ন সময় আমার ভাগ্নি তার প্রয়োজনে অনেক টাকা নিয়েছে যার কোনো হিসাব চাইনি কিন্তু আমার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো জানান,২০১৭ সালে মান্দা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে আমার পক্ষে ষ্ট্যাম্প এ আমার ভাই শফিকুলের স্বাক্ষর নিয়ে ৫লক্ষ ৯০হাজার টাকা দেয়ার দাবি করে। কিন্তু সেই টাকা আমার একাউন্টে জমা দেয়ার জন্য কাজল রেখাকে বলি কিন্তু সেটাও জমা দেয়নি। বর্তমানে আমার সেই ভাই বিদেশে অবস্থান করছেন । তাকে ফোন দিলে সে বলে আমি কোন টাকা নেয়নি। আমার কাছে টাকা প্রদানের প্রতিটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট আছে। এ নিয়ে গত ২৯.০৭.২০১৯ইং তারিখে মান্দা থানায় একটি অভিযোগ করেও কোন সমাধান পাননি বলেও জানান ভুক্তভোগি ফাতেমা বেগম। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ফাতেমা বেগমের ভাগ্নি কাজল রেখা বলেন, আমার খালা বিদেশ থেকে কয়েকবার টাকা পাঠিয়েছিল। ২০১৭ সালে মান্দা থানায় বৈঠকের মাধ্যমে খালার ভাই শফিকুল মামাকে ৫লক্ষ ৯০হাজার টাকা দিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের নিকট থেকে আর কোন টাকা খালা পাবেনা। খালা যে অভিযোগ আমার নামে দিচ্ছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগ গ্রহনকারী মান্দা থানার এসআই মো.রেজাউল ইসলাম বলেন,বিষয়টি নিয়ে দু”পক্ষের সাথে মিমাংসার জন্য বসেছিলাম কিন্তু ২০১৭সালে বাদীর পক্ষে তার ভাইকে ৫ লক্ষ ৯০হাজার টাকা প্রদানের ডকুমেন্ট আছে ষ্টেম্পে। সেটা বাদী পায়নি বলে অস্বীকার করছে এবং বিবাদী প্রদান করেছে তার ভাইকে দিতে বলে দাবি করছে। তাই আমি বাদী ফাতেমা বেগমকে আদালতের মাধ্যমে সুরাহার জন্য পরামর্শ দিয়েছে। যাতে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির সঠিক সুরাহা হয়।

 

 

 

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com