শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

করনীয়:
করোনা প্রতিরোধে সচেতন হই। ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুই। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হই।
শিরোনাম :
যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টইনে ৮২জন সুন্দরবন ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার খাদ্য সামগ্রী বিতরন যশোরে একটি প্রাইভেট কার দেখে ব্যাপক আতংকের সৃষ্টি কোয়ারেন্টাইন মনিটরিং করবে সিএমপি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার’ শ্লোগানে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমের উদ্বোধন যশোরে বিনা চিকিৎসায় নারী ওসির স্বামীর মৃত্যুর অভিযোগ দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন যশোর বাঘারপাড়ার যুবদল নেতা হিরু দিনাজপুরে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি’র প্রিস্টপশকতায় শিশুদের জন্য খাদ্য বিতরণ দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য  পিসিআর মেশিন  বসানো হচ্ছে  নতুন আক্রান্ত ১১২ জনের মধ্যে ঢাকাতেই ৬২
চৌগাছার স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভকে ভেঙ্গে ফেলার প্রতিবাদে স্মারক লিপি প্রদান

চৌগাছার স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভকে ভেঙ্গে ফেলার প্রতিবাদে স্মারক লিপি প্রদান

 

স্টাফ রিপোর্টার: যশোরের স্বাধীনতার প্রবেশদ্বার চৌগাছার মশিয়ুরনগর গ্রামে স্থাপিত স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। মক্তিযুদ্ধে শহীদ মশিয়ুর রহমানের মুর‌্যাল করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বিজয় স্তম্ভটি ভেঙ্গে ফেলেছে এমনটাই অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এদিকে বিজয় স্তম্ভটি রক্ষা ও পুনঃসংষ্কারের দাবি জানিয়ে স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।

চৌগাছার মুক্তিনগর শহীদ স্মরনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও শহীদ সুজা উদ দ্দৌলার সন্তান হাসিনুর রহমান বলেন, যশোরে স্বাধীনতার প্রবেশদ্বার হিসেবে চৌগাছা উপজেলার নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের স্মরনেই এই বিজয় স্তম্ভটি বানানো হয়। ১৯৭৭ সালে চৌগাছা সাংবাদিক আতিউর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড.মহিউদ্দিন খান আলমগীরের (প্রাক্তন মন্ত্রী) সার্বিক সহযোগিতায় এ বিজয় স্তম্ভটি স্থাপিত হয়। যেখানে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই কাউকে কিছু না জানিয়ে শহীদ মশিয়ুর রহমানের মুর‌্যাল বানানোর কথা বলে সেই স্তম্ভটি ভেঙ্গে ফেলেছে ঠিকাদার। মুর‌্যালটি বানানোর জন্য বিজয় স্তম্ভটির পাশের জায়গা চিহ্নিত থাকলেও কেনো এই স্তম্ভটি ভাঙ্গা হয়েছে তা আমরা জানিনা।

মুর‌্যাল নির্মানের জন্য বিজয় স্তম্ভটি ভাঙ্গার কোন নির্দেশনা বা এ্যাষ্টিমেট টেন্ডারে নেই বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলি রাশেদুল হাসান। তাহলে ভাঙ্গা হলো কেনো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যাপারটি মুর‌্যাল নির্মানকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দি পিপি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্তাধিকারি বলতে পারবেন।

জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে এলজিডির তত্বাবধায়নে শহীদ মশিয়ুর রহমানের মুর‌্যালটি নির্মান করছে দি পিপি ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফোন করা হলে প্রদীপ নামে একজন ঠিকাদার জানান, কাজটি আমি চৌগাছার শিল্পী আতিয়ারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। বিজয় স্তম্ভ ভেঙ্গে ফেলা সর্ম্পকে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম বললেন, ওটা স্বাধীনতার সূর্য স্তম্ভ। কোনোভাবেই ওটা ভাঙ্গা যায় না। এটা ঘোর অন্যায়। অন্য কিছু নির্মান করতে চাইলে পাশেই বা অন্য জায়গায় করা যেতো। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শওকত আলী বলেন, ব্যাপারটা আমি আজকে শুনেছি। অফিস খুললেই এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলির সাথে আমরা বসবো। আমরা জানতে চাইবো কি কারনে বিজয় স্কম্ভটি ভেঙ্গে ফেলা হলো?

 

খবরটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com