বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কবি মুস্তাফিজুর রহমানের ঈদের কবিতা গোপালগঞ্জের ছোট্র একটি গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া। সেই গ্রামের ছোট্র খোকাটির আজ ৪৪ তম শাহাদৎ বাষিকী পালন করতে যাচ্ছে। বড় কষ্টের এ দিনটি। মণিরামপুরে ছোট ভাইয়ের বড়ভাই খুন ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোর পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক নওগাঁর রাণীনগরে ধানকাটা নিয়ে মারপিটে তিন জন আহত -স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আগামীকাল দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না বাবার যশোরের সীমান্ত হতে ২.৮ কেজি ওজনের ৩২ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার যশোরে বন্দুকযুদ্ধে ১৬ মামলার আসামি নিহত নওগাঁর আত্রাইয়ে ডেঙ্গুমুক্ত করণে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচেতনতা র‌্যালী অনুষ্ঠিত
অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর ১৫ অনুশাসন

অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর ১৫ অনুশাসন

জয়ডেক্স: অগ্নিদুর্ঘটনার এড়াতে অনুশাসন দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে তিনি এসব অনুশাসন দেন। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
একইসঙ্গে গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ১৩০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুশাসনগুলো হলো-
১. ফায়ার সার্ভিসের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে হাইরাইজ বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে এবং অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানোর পরামর্শগুলো মানা হচ্ছে কিনা সেগুলোর নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।
২. ভবনগুলোর অগ্নিনিরোধক সিস্টেম বা ক্লিয়ারেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক সব ভবনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
৩. বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং এর কোনও ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না।
৪. বিভিন্ন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ফায়ার ড্রিল করতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
৫. অগ্নিকাণ্ডের সময় ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের কোনও উপায় আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে। কারণ আগুনে পোড়ার চেয়ে ধোঁয়ার কারণেই বেশি নিহতের ঘটনা ঘটে।
৬. রাজধানীতে প্রায়ই পানির অভাবে আগুন ঠিকমতো নেভানো যায় না। এজন্যই আগুনের কথা মাথায় রেখে রাজধানীতে পর্যাপ্ত জলাশয় ও জলাধার তৈরি করতে হবে।
৭. রাজধানীর আশপাশের লেকগুলো সংরক্ষণ করতে হবে।
৮. অগ্নিকাণ্ড বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় ২৩ তলা পর্যন্ত পৌঁছানোর উপযোগী লেডার/লম্বা সিঁড়ি তিনটি আছে ফায়ার সার্ভিসের। এর সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৯. বাসাবাড়ি, অফিস বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করতে হবে চারপাশে দরজা-জানালাসহ এবং শত ভাগ ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করতে হবে।
১০. বৈদ্যুতিক দরজা পরিত্যাগ করে অন্য দরজা লাগাতে হবে যাতে বিদ্যুৎ না থাকলে বা দুর্ঘটনার সময় তা খোলা যায়।
১১. ভবনের চারপাশে জাল লাগানো সিস্টেম থাকতে হবে। কেউ যাতে ওপর থেকে পড়ে মারা না যায় সেজন্য এই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১২. হাসপাতাল ও স্কুলে অবশ্যই বারান্দা রাখতে হবে যেন কোনও দুর্ঘটনার সময় মানুষ আশ্রয় নিতে পারে।
১৩. ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা জায়গা বাঁচাতে ভবনের ভেতর সব জায়গা বন্ধ করে ডিজাইন করে। এরকম কোনও ডিজাইন করা যাবে না। মানুষ যেন অবাধে যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১৪. দুর্ঘটনার সময় মানুষ যাতে লিফট ব্যবহার না করে সেজন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।
১৫. যে কোনও ভবনে আশা-যাওয়ার জন্য একাধিক দরজা রাখতে হবে। ভবনে প্রবেশের একটা দরজার সিস্টেম পরিহার করতে হবে।

 

 

 

সুত্র:সকালের সময়

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com