রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০২:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতির ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত যশোর স্টেডিয়ামপাড়ায় পুলিশিং কার্যালয় উদ্ধোধন যশোরে ৬৭ জন করোনা শনাক্ত বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবাষির্কী উপলক্ষে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা ‘দুর্গন্ধ হওয়ার ৭ কারণ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হওয়া স্বত্ত্বেও আমার মায়ের কোনো অহমিকা ছিল না বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে নবাবগঞ্জে সেলাই মেশিন বিতরণ ইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা যশোরে চিকিৎসার নামে ভন্ড ফকিরের বিরুদ্ধে নারীর শ্লীলতাহানী ঘটানোর অভিযোগ যশোরে ছেলে ও পুত্রবধুর বিরুদ্ধে নগদ টাকা স্বর্ণের গহনা চুরির অভিযোগে মামলা
করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে টিকে থাকার হাতিয়ার হচ্ছে মেধা

করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে টিকে থাকার হাতিয়ার হচ্ছে মেধা

জয় ডেস্ক।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, করোনা পরবর্তী বিশ্বে অনিবার্য পরিবর্তনে খাপ খাইয়ে টিকে থাকাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার হাতিয়ার হচ্ছে মেধা। যে জাতি যত বেশি এই মেধাসম্পদ কাজে লাগাতে পারবে চলমান চতুর্থ শিল্প বিল্পব বা ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবে তারা ততটা সফল হবে।

মন্ত্রী রোববার রাতে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ আয়োজিত করোনা পরবর্তী চ্যালেঞ্জ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী। দেশে মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ ভাগ তরুণ জনগোষ্ঠী, যা আমাদের বড় সম্পদ। এই সম্পদকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলে আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবো।

মেধাকে সত্যিকারভাবে কাজে লাগাতে পারলে আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট (জনমিতি) অনুযায়ী, ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের বড় শক্তি। তাদের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে কাজে লাগাতে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর অপরিহার্য।

মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৪৯ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছর এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরে দেশ তার অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অভাবনীয় সফলতার মধ্যে এগিয়েছে। বাকি সময়টা জাতি অতিক্রম করেছে পশ্চাৎপদতা আর ষড়যন্ত্রের অন্ধকারে।

করোনা পরিস্থিতিতে পৃথিবীর সব দেশে একই অবস্থা বিরাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্ব বিশেষ করে আমেরিকার নাগরিকরা ঘরে বসে যে ডিজিটাল সুযোগ গ্রহণ করছে আমরাও একই সুবিধা পাচ্ছি। আমাদের এই অর্জন গত ১১ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সফলতা। বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখছে।

মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে ধীরে ধীরে কায়িক শ্রমের অস্তিত্ব থাকবে না। কায়িক শ্রম মেধানির্ভর শ্রমে পরিণত হবে । কায়িক শ্রমে নিযুক্ত দেশে ও দেশের বাইরে বিশাল শ্রম শক্তির জন্য এটি হবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটা মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেটস অব বাংলাদেশ কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ, সোহেল কাশেম এবং মাহবুব আহমেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

জয় বাংলা নিউজ/সস

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা নিষেধ।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com