শুক্রবার, ২২ মে ২০২০, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

করনীয়:
করোনা প্রতিরোধে সচেতন হই। ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুই। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হই।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ‘ঈদ উপহার’ দেওয়া হবে…প্রধানমন্ত্রী

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ‘ঈদ উপহার’ দেওয়া হবে…প্রধানমন্ত্রী

জয় ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে এবার রমজান মাসে মসজিদে তারাবির নামাজ সীমিত থাকায় ইমাম, মুয়াজ্জিনদের আয় কমে গেছে। এজন্য তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি নগদ অর্থ পাঠানো কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা কিছু মাদরাসায় আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। যেখানে যে মাদরাসায় এতিমরা আছে, যেখানে এতিমখানা আছে, তাদের আর্থিক সহায়তা ইতোমধ্যে দিয়ে দিয়েছি। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ৭ হাজার কওমি মাদরাসাকে ঈদের আগে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

দেশ প্রধান বলেন, সারাদেশে অসংখ্য মসজিদ রয়েছে। মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিন যারা থাকেন, সাধারণত রমজান মাসে মানুষ তারাবির নামাজ পড়তে সেখানে যান এবং মসজিদে একটা ভালো আয় হয়। কিন্তু এবার করোনার কারণে তা অনেক সীমিত হয়ে গেছে। অবশ্য মসজিদ কমিটি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বিত্তশালীরা দান করে যাচ্ছে। তারপরও আমি মনে করি, আমাদের একটা দায়িত্ব আছে। আমি ইতোমধ্যে একটা তালিকা করতে বলেছি। সব মসজিদে ঈদ উপলক্ষে বা রমজান উপলক্ষে কিছু আর্থিক সহায়তা দেব।

এসময় করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া রিকশা ও ভ্যানচালক, মোটর শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিকসহ দিনমজুর ও শ্রমজীবীদের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। এমন নিম্ন আয়ের ৫০ লাখ পরিবার এই সহায়তা পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দরিদ্র এসব পরিবারের কাছে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে যাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অদৃশ্য করোনার কারণে সবখানে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে যারা শ্রম দিয়ে জীবন চালাত, তারা অচল হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের তাদের কথা চিন্তা করে কিছু উদোগ নিয়েছি। কারণ দিনমজুর ও শ্রমজীবী যারা আছেন, যাদের খাওয়া-পরার জন্য দৈনিক কাজের ওপর নির্ভর করতে হতো, তাদের জন্য কোনো কাজ নেই। তারা শ্রম দিতে পারছে না। তাদের কিভাবে রমজান মাসে সহায়তা করতে পারি, সেটা ভেবেই আমরা কিছু অর্থের ব্যবস্থা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ৫০ লাখ মানুষকে রেশন কার্ড দিয়েছি, তারা এই কার্ড দিয়ে ১০ টাকায় চাল কিনতে পারছেন। আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতা কার্যক্রম চলছে। এর বাইরেও যারা কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না, তাদের কথা চিন্তা করেই এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ৫০ লাখ পরিবারের প্রতিটি পরিবারকে ২৫০০ টাকা করে এককালীন নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই করোনার সময়, এই রোজার মাসে যারা কিছুটা হলেও উপকার পান, সে জন্যই এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কমিটি করে দিয়েছি। সেই কমিটি এই ৫০ লাখ পরিবারের তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকা বারবার যাচাই-বাছাই করেছি। দ্বৈততা পরিহার করার চেষ্টা করেছি। যারা কোনো না কোনো সহায়তা পাচ্ছেন, তাদের বাদ দিয়ে এই ৫০ লাখ পরিবারের তালিকা করার চেষ্টা করেছি।

জয় বাংলা নিউজ/সস

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com