সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

করনীয়:
করোনা প্রতিরোধে সচেতন হই। ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুই। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হই।
মাদকমুক্ত সমাজ সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার শ্লোগান আছে তা, বাস্তবে রূপ নিতে দিচ্ছে না, রাজনৈতির দলের ছত্রছায়ায় থাকা কতিপয় গডফাদাররা

মাদকমুক্ত সমাজ সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার শ্লোগান আছে তা, বাস্তবে রূপ নিতে দিচ্ছে না, রাজনৈতির দলের ছত্রছায়ায় থাকা কতিপয় গডফাদাররা

মাদকমুক্ত সমাজ সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার শ্লোগান আছে তা, বাস্তবে রূপ নিতে দিচ্ছে না, রাজনৈতির দলের ছত্রছায়ায় থাকা কতিপয় গডফাদাররা

 

হারুন অর রশিদ: মাদকমুক্ত সমাজ সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে শ্লোগান আমরা দিচ্ছি, তা বাস্তবে রুপনিতে দিচ্ছে না ঘাপটি মেরে থাকা গডফাদাররা, দেশের ৬৪ জেলার কোন বা কোন স্থান থেকে আটক করা হচ্ছে মাদক দ্রব্য দেশী বিদেশী মদ, ইয়াবা ফেন্সিডিল পানির জোয়ারের মতো প্রবেশ করছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপর থাকলেও সুচতুর গডফাদাররা রাজনৈতিক ব্যানারে নীচে তাদের এ সমস্ত অবৈধ মাদকজাত দ্রব্য এনে বড়, বড় ডেরায় নিয়ে আসা হয়। যা অনেক সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখে ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, ভাগ্য চক্রের হয়তোবা দু-একটা  ধরা পড়ে যেমনটি ধরা পড়লো একটি বেসরকারি চ্যালেনের লোক প্রাইভেট কার প্রভোকস

কার নং- ঢাকা মেট্রো-গ-২৭-৬৮৪৮। এসমস্ত মাদক ব্যবসায়ীরা খুব একটি নীচ তালার শ্রেণী নয়। এদের চলন বলোন সমাজের আর পাঁচটা মানুষের মতো নয়, এদের সোসাইটি হই লেভেল, সোসাল মিডিয়ার নজর ঘুরালে প্রতিনিয়ত দেখা যায় কোন না কোন স্থানে মাদক দ্রব্য ধরা হচ্ছে। এসমস্ত মাদক কারবারিরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, তা না হলে অধিকাংশ প্রাইভেট গাড়ীতে সংবাদপত্র নতুবা ইংরেজীতে প্রেস লাগিয়ে এসব গডফাদাররা মাদক দ্রব্য বহন করছে, বলা বহুল্য সংবাদপত্র মতো একটি সন্ধানজনক পেশাটাকে কুলোশিত করে তুলছে এসমস্ত অপরাধিরা। গত ১২ মার্চ বেলা ১২ টা ঘোপ জেল রোডস্থ কুইন্স হাসপাতালের সম্মুখে থেকে, মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর (ক) সার্কেল পরিচালক মোঃ বাহাউদ্দিন নেতৃত্বে একটি রেজিং টিম গঠন করে তাদেরকে আটক সহ প্রচুর পরিমান বিদেশী মাদক আটক করেন, আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় মাদকগুলো যশোর শহরস্থ কোন এক ডেরায় পৌছাবে। প্রশ্ন শুধু থেকেই যায়, বাস্তবে তা রূপ দিতে পারে না এর কারণ কী? ঐ মুহুর্তে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর পরিদর্শক মোঃ হেলাল উদ্দীন প্রেস ব্রিফিং করলেন এবং মিডিয়া কর্মীদের প্রশ্ন, উত্তর বললেন এসব অবৈধ মাদকদ্রব্য মারিই হোক না কেন তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে, এ সংবাদ পরদিন অর্থাৎ ১৩ মার্চ থেকে শহর ময় গুঞ্জব আনাচে কানাচে চায়ের দোকান সহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমআলোচনা হচ্ছে যশোর শহর কী ক্যাসিনো পরিনত হচ্ছে, অনেকের প্রশ্ন একজন মাদক ব্যবসায়ীর কী করে সাহস হয় যে একটি ৭১ এর মতো চ্যানেলের লোঘ লাগিয়ে মাদক পাচার করছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, আইন শৃংখলা বাহিনীর, বিশেষ সংস্থা উচিৎ একটু গভীরে যাওয়া তাহলে হয়তো বা থলের বিড়াল বেরিয়ে আসলেও আসতে পারে? তাহলে হয়তো পেশাদার সংবাদপত্র কর্মীদের ইজ্জত বাচাবে, নয়তো এমন একটি সময় আসবে, সংবাদ ৭১ এর একজন নঘন্ন কর্মী হিসাবে পরিচয় দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠবে না বলে আবার ক্ষুদ্র মাথা থেকে মনে করি। তাই এসময় থাকতে এসমস্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিৎ বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved  2019 Joibanglanews.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com